আজ মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ Logo জনগণকে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে: এমপি মারদিয়া মমতাজ Logo খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ Logo দেবহাটায় সরকারি জমিতে পাকাঁ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ Logo টেকসই উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা Logo আশাশুনিতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo আশাশুনি সদর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo জাল নোট ঠেকাতে সাতক্ষীরার পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ চালু Logo বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট আলোচনা ও স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo উপহারে হাসলো সাতক্ষীরার পিছিয়ে পড়া ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

স্ত্রীর কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন আসিফ নজরুল

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৪:২৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

২০১৯ সাল থেকে আগ্রাসন বিরোধী লড়াইয়ে সুশীল সমাজ কিংবা শিক্ষকদের মধ্যে যাকে ছাত্ররা সবচেয়ে বেশি তাঁদের পাশে সবসময় পেয়েছিলেন তিনি হলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। কয়েকদিন আগেই যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আসিফ নজরুলকে নিয়ে বলেছিলেন,এনআরসি, সিএএ বিরোধী আন্দোলন, আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলন, আগ্রাসনবিরোধী কর্মসূচি থেকে যখন জেলে গেলাম, সেসময়টায় যাকে আমরা সবসময় পাশে পেয়েছিলাম ওনি আমাদের আসিফ নজরুল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে তাঁর ব্যাক্তিগত জীবনের কিছু মূহর্ত বলতে গিয়ে আবেগআপ্লুত হতে দেখা য়ায়। এমন একটা দেশে বসবাস করতেন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন,আমার দুঃখ লাগে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে ঘনিষ্ট বন্ধু সে একজন বড় সরকারী কমকর্তা হওয়ার পর,সে আমাকে বললো আমি আর তোকে ফোন করবো না তুইও আর আমাকে ফোন করবি না। এমনকি তার মেয়ের বিয়েতে, যে মেয়েকে আমি ছোট বেলায় কোলে নিয়েছি তার বিয়েতে আমাকে দাওয়াত দিল না। ছাত্রলীগ নেতার কথা উল্লেখ করে আসিফ নজরুল আরো বলেন, দাওয়াত দিল আমদের ক্লাসমেট এক ছাত্রলীগ নেতাকে।যার সাথে কোনদিন আমাদের কোন রকম ফ্রেন্ডশীপ ছিল না।আমার কাছে তখন মনে হতো আমাকে যদি তার বিয়েতে দাওয়াত দিত তাহলে কি তার চাকরি চলে যেত? স্ত্রীর কথা বলতে গিয়ে আসিফ নজরূল বলেন, আমি কিন্তু মাঝেমাঝে মন খারাপ করে আমার স্ত্রীকে বলি, আমার কি কোনদিন এই জীবন আসবে কিছু করতে হবে না আমার কিছুই চিন্তা করতে হবে না আমার। আমি শুধু ঘুমাবো আর লিখব আর লিখব।তো আমার স্ত্রী বলছে অবশ্যই আসবে। শখ করে কফি বানানো শিখছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন,বলছে আমি কফি’র দোকান দিব তুমি শুধু লিখবা আর লিখবা। আমার লেখালেখির মাঝখানে প্রায় ১৫ বছর গ্যাপ ছিল।আমি যে ১৫ বছর পর লিখতে পেরেছি এটা আমার স্ত্রীর জন্য।আমি ওর প্রতি খুবই কৃতজ্ঞ।সবার সামনে বললাম ধন্যবাদ।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ

স্ত্রীর কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন আসিফ নজরুল

আপডেট সময়: ০৪:২৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

২০১৯ সাল থেকে আগ্রাসন বিরোধী লড়াইয়ে সুশীল সমাজ কিংবা শিক্ষকদের মধ্যে যাকে ছাত্ররা সবচেয়ে বেশি তাঁদের পাশে সবসময় পেয়েছিলেন তিনি হলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। কয়েকদিন আগেই যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আসিফ নজরুলকে নিয়ে বলেছিলেন,এনআরসি, সিএএ বিরোধী আন্দোলন, আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলন, আগ্রাসনবিরোধী কর্মসূচি থেকে যখন জেলে গেলাম, সেসময়টায় যাকে আমরা সবসময় পাশে পেয়েছিলাম ওনি আমাদের আসিফ নজরুল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে তাঁর ব্যাক্তিগত জীবনের কিছু মূহর্ত বলতে গিয়ে আবেগআপ্লুত হতে দেখা য়ায়। এমন একটা দেশে বসবাস করতেন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন,আমার দুঃখ লাগে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে ঘনিষ্ট বন্ধু সে একজন বড় সরকারী কমকর্তা হওয়ার পর,সে আমাকে বললো আমি আর তোকে ফোন করবো না তুইও আর আমাকে ফোন করবি না। এমনকি তার মেয়ের বিয়েতে, যে মেয়েকে আমি ছোট বেলায় কোলে নিয়েছি তার বিয়েতে আমাকে দাওয়াত দিল না। ছাত্রলীগ নেতার কথা উল্লেখ করে আসিফ নজরুল আরো বলেন, দাওয়াত দিল আমদের ক্লাসমেট এক ছাত্রলীগ নেতাকে।যার সাথে কোনদিন আমাদের কোন রকম ফ্রেন্ডশীপ ছিল না।আমার কাছে তখন মনে হতো আমাকে যদি তার বিয়েতে দাওয়াত দিত তাহলে কি তার চাকরি চলে যেত? স্ত্রীর কথা বলতে গিয়ে আসিফ নজরূল বলেন, আমি কিন্তু মাঝেমাঝে মন খারাপ করে আমার স্ত্রীকে বলি, আমার কি কোনদিন এই জীবন আসবে কিছু করতে হবে না আমার কিছুই চিন্তা করতে হবে না আমার। আমি শুধু ঘুমাবো আর লিখব আর লিখব।তো আমার স্ত্রী বলছে অবশ্যই আসবে। শখ করে কফি বানানো শিখছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন,বলছে আমি কফি’র দোকান দিব তুমি শুধু লিখবা আর লিখবা। আমার লেখালেখির মাঝখানে প্রায় ১৫ বছর গ্যাপ ছিল।আমি যে ১৫ বছর পর লিখতে পেরেছি এটা আমার স্ত্রীর জন্য।আমি ওর প্রতি খুবই কৃতজ্ঞ।সবার সামনে বললাম ধন্যবাদ।