আজ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাবেক পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০১:১৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪
  • ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ৫ বছর আগে সাতক্ষীরার সদরের কুচপুকুর গ্রামের পরিবহন চালক হুমায়ুন কবীরকে ঢাকা থেকে তুলে এনে বাইপাস সড়কে ক্রসফায়ারের নামে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরার তৎকালিন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি র্অ্যাড. আব্দুল লতিফসহ ১৮জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ভাই আজগার আলী বাদি হয়ে রোববার সাতক্ষীরার জ্যেষ্ট বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক নয়ন কুমার বড়াল বাদির লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে (১৫৬(৩) ধারা মতে) এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অপর আসামীরা হলেন,সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইলতুৎমিশ,সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সদরের কুচপুকুরের নেছারউদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম, তার ভাই রবিউল ইসলাম, নজরুল ইসলামের ছেলে নবের আলীসহ ১৮ জন।
মামলার বিবরনে জানা যায়, কুচপুকুর গ্রামের মোক্তার আলীর ছেলে হুমায়ুন কবীর একজন পরিবহন শ্রমিক। ২০১৯ সালের ২৫ আগষ্ট তৎকালিন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইলতুতমিস ও সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি র্অ্যাড. আব্দুল লতিফসহ অন্যান্য আসামীদের সাথে যোগসাজসে ঢাকা থেকে মাইক্রোবাসে হুমায়ুন কবিরকে তুলে আনা হয়। ক্রসফায়ার থেকে বাচিয়ে দেওয়ার নামে জজকোর্টের সাবেক পিপি আব্দুল লতিফ তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায় করে। চাহিদাকৃত ২০ লাখ টাকা না দেওয়ার হুমায়ুন কবীরকে ৫ সেপ্টেম্বর-২৪ ভোরে হুমায়ুনের পিঠের বাম পাশে ও বুকে গুলি করে হত্যার পর বাইপাস সড়কে ফেলে রাখা হয়। পরে ক্রসফায়ারে কবীর মারা গেছে মর্মে স্থানীয় আসামীরা উল্লাস করে। ওইদিন বিকেলে সদর হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্ত শেষে হুমায়ুন কবীরের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. মশিউর রহমান জানান, চারজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৮জনের বিরুদ্ধে আদালতে দায়েরকৃত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করার জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

সাবেক পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

আপডেট সময়: ০১:১৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ৫ বছর আগে সাতক্ষীরার সদরের কুচপুকুর গ্রামের পরিবহন চালক হুমায়ুন কবীরকে ঢাকা থেকে তুলে এনে বাইপাস সড়কে ক্রসফায়ারের নামে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরার তৎকালিন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি র্অ্যাড. আব্দুল লতিফসহ ১৮জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ভাই আজগার আলী বাদি হয়ে রোববার সাতক্ষীরার জ্যেষ্ট বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক নয়ন কুমার বড়াল বাদির লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে (১৫৬(৩) ধারা মতে) এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অপর আসামীরা হলেন,সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইলতুৎমিশ,সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সদরের কুচপুকুরের নেছারউদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম, তার ভাই রবিউল ইসলাম, নজরুল ইসলামের ছেলে নবের আলীসহ ১৮ জন।
মামলার বিবরনে জানা যায়, কুচপুকুর গ্রামের মোক্তার আলীর ছেলে হুমায়ুন কবীর একজন পরিবহন শ্রমিক। ২০১৯ সালের ২৫ আগষ্ট তৎকালিন পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইলতুতমিস ও সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি র্অ্যাড. আব্দুল লতিফসহ অন্যান্য আসামীদের সাথে যোগসাজসে ঢাকা থেকে মাইক্রোবাসে হুমায়ুন কবিরকে তুলে আনা হয়। ক্রসফায়ার থেকে বাচিয়ে দেওয়ার নামে জজকোর্টের সাবেক পিপি আব্দুল লতিফ তার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায় করে। চাহিদাকৃত ২০ লাখ টাকা না দেওয়ার হুমায়ুন কবীরকে ৫ সেপ্টেম্বর-২৪ ভোরে হুমায়ুনের পিঠের বাম পাশে ও বুকে গুলি করে হত্যার পর বাইপাস সড়কে ফেলে রাখা হয়। পরে ক্রসফায়ারে কবীর মারা গেছে মর্মে স্থানীয় আসামীরা উল্লাস করে। ওইদিন বিকেলে সদর হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্ত শেষে হুমায়ুন কবীরের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বাদিপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. মশিউর রহমান জানান, চারজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৮জনের বিরুদ্ধে আদালতে দায়েরকৃত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করার জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।