আজ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩ Logo কলারোয়ায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত Logo শ্যামনগরে বিসিডিএস’র বার্ষিক সম্মেলন ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত Logo তালায় ২৭ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে ক্যাম্পেইন শুরু Logo সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন Logo সাতক্ষীরায় ইজিবাইকের ধাক্কায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নিহত Logo শ্যামনগরে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারী পিতা-পুত্র গ্রেপ্তার Logo ১২ কেজি সিলিন্ডারের নতুন দাম ১৯৪০ টাকা Logo কালীগঞ্জের নাজিমগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাথে উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ সভা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

৬০ টাকার কমে নেই কোনো সবজি, দিশাহারা ক্রেতারা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১২:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের কাউখালীতে পাগলা ঘোড়ার মতো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সবজির দাম। বাজার করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। ৬০ টাকার কমে কোনো সবজি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। যতই দিন যাচ্ছে সবজি, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে প্রতিটি সবজির দাম ১৫ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। রোববার (১৪) জুলাই উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি হাটবাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০ টাকা, রসুন ২৩০ টাকা, আদা ৪০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৩৫০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, করলা ১৩০ টাকা, কাকরোল ১০০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, কচুর গাটি ৮০ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া যে কোনো ধরনের শাক বিক্রি হচ্ছে প্রতি আটি ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা।

দক্ষিণ বাজারের সবজি বিক্রিতা গোলাম রসুল ও উত্তর বাজারের সবজি বিক্রিতা কাবুল হোসেন বলেন, সবজির বাজার স্থিতিশীল নয়। বন্যা ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টিতে সবজির ক্ষেতে ক্ষতি হওয়ায় উৎপাদন কমে গেছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেমন কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। বিধায় বাজারে সবজির দাম বেশি। আমাদের বেশি দামে মোকাম থেকে কিনতে হয়। ফলে আমাদের বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। দিনমজুর শুকুর আলী ও শ্যামল বড়াল আক্ষেপ করে বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই মাছ-মাংস কেনা বন্ধ করে দিয়েছি। খেতাম একটু সবজি তাও এখন আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব না। সবজি দিয়ে ভাত খাব তার উপায় নেই।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল মোল্লা বলেন, আমরা বাজারে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করব। যদি কোনো অসাদু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজারের দ্রব্যমূল্যর বাড়িয়ে বিক্রি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন

৬০ টাকার কমে নেই কোনো সবজি, দিশাহারা ক্রেতারা

আপডেট সময়: ১২:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪

পিরোজপুরের কাউখালীতে পাগলা ঘোড়ার মতো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সবজির দাম। বাজার করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। ৬০ টাকার কমে কোনো সবজি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। যতই দিন যাচ্ছে সবজি, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে প্রতিটি সবজির দাম ১৫ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। রোববার (১৪) জুলাই উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি হাটবাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০ টাকা, রসুন ২৩০ টাকা, আদা ৪০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৩৫০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, করলা ১৩০ টাকা, কাকরোল ১০০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, কচুর গাটি ৮০ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া যে কোনো ধরনের শাক বিক্রি হচ্ছে প্রতি আটি ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা।

দক্ষিণ বাজারের সবজি বিক্রিতা গোলাম রসুল ও উত্তর বাজারের সবজি বিক্রিতা কাবুল হোসেন বলেন, সবজির বাজার স্থিতিশীল নয়। বন্যা ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টিতে সবজির ক্ষেতে ক্ষতি হওয়ায় উৎপাদন কমে গেছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেমন কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। বিধায় বাজারে সবজির দাম বেশি। আমাদের বেশি দামে মোকাম থেকে কিনতে হয়। ফলে আমাদের বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। দিনমজুর শুকুর আলী ও শ্যামল বড়াল আক্ষেপ করে বলেন, আমরা অনেক আগে থেকেই মাছ-মাংস কেনা বন্ধ করে দিয়েছি। খেতাম একটু সবজি তাও এখন আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব না। সবজি দিয়ে ভাত খাব তার উপায় নেই।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল মোল্লা বলেন, আমরা বাজারে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করব। যদি কোনো অসাদু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজারের দ্রব্যমূল্যর বাড়িয়ে বিক্রি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।