আজ শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

‘বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের প্রাণের নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু’

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, বিশ্বের মুক্তিকামী, নিপীড়িত, শ্রমজীবী ও দুঃখী মানুষের প্রাণের নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু। শান্তি, সাম্য, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার চিন্তা ও দর্শন মানুষের মধ্যে প্রেরণা জুগিয়েছেন। নিপীড়িত, নির্যাতিত শোষিত, বঞ্চিত ও স্বাধীনতাকামী সংগ্রামী মানুষ বিশ্বের যে প্রান্তেই হোক না কেন, তিনি তাদের সঙ্গে একাত্ম্য ছিলেন। জেল-জুলুম, অত্যাচারসহ অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। কিন্তু কখনো থেমে যাননি, আপস করেননি। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু : এ চ্যাম্পিয়ন অব ওয়াল্ড পিচ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, শোষণ-বঞ্চনায় বিপন্ন মানুষ বরাবরই বঙ্গবন্ধুর চিন্তা জুড়ে ছিল। তবে তার সেই চিন্তা শুধু দেশের গণ্ডিতেই নয়, বরং তা বিস্তৃত ছিল বিশ্বজুড়ে।

তিনি বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সাল থেকে প্রতি দুই বছর পর পর সম্মানজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক জুরিবোর্ড গঠন ও নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পুরস্কার দেওয়া হবে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা, যুদ্ধ নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ ও অবদান রাখা, দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখা, টেকসই সামাজিক পরিবেশগত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন- এইসব ক্ষেত্রগুলো পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

বিআইআইএসএস এর চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত আ ফ ম গওসোল আযম সরকারের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, বিশ্বশান্তি পরিষদ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু, বিআইআইএসএস এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আবু বকর সিদ্দিক খান, বিআইআইএসএস এর জ্যেষ্ঠ গবেষক এম আশিক রহমান, বীর প্রতীক সাজ্জাদ আলী জহির বক্তব্য দেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

‘বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের প্রাণের নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু’

আপডেট সময়: ০১:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, বিশ্বের মুক্তিকামী, নিপীড়িত, শ্রমজীবী ও দুঃখী মানুষের প্রাণের নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু। শান্তি, সাম্য, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার চিন্তা ও দর্শন মানুষের মধ্যে প্রেরণা জুগিয়েছেন। নিপীড়িত, নির্যাতিত শোষিত, বঞ্চিত ও স্বাধীনতাকামী সংগ্রামী মানুষ বিশ্বের যে প্রান্তেই হোক না কেন, তিনি তাদের সঙ্গে একাত্ম্য ছিলেন। জেল-জুলুম, অত্যাচারসহ অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। কিন্তু কখনো থেমে যাননি, আপস করেননি। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু : এ চ্যাম্পিয়ন অব ওয়াল্ড পিচ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, শোষণ-বঞ্চনায় বিপন্ন মানুষ বরাবরই বঙ্গবন্ধুর চিন্তা জুড়ে ছিল। তবে তার সেই চিন্তা শুধু দেশের গণ্ডিতেই নয়, বরং তা বিস্তৃত ছিল বিশ্বজুড়ে।

তিনি বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সাল থেকে প্রতি দুই বছর পর পর সম্মানজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক জুরিবোর্ড গঠন ও নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তি পুরস্কার দেওয়া হবে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা, যুদ্ধ নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ ও অবদান রাখা, দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখা, টেকসই সামাজিক পরিবেশগত অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন- এইসব ক্ষেত্রগুলো পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

বিআইআইএসএস এর চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত আ ফ ম গওসোল আযম সরকারের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, বিশ্বশান্তি পরিষদ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু, বিআইআইএসএস এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আবু বকর সিদ্দিক খান, বিআইআইএসএস এর জ্যেষ্ঠ গবেষক এম আশিক রহমান, বীর প্রতীক সাজ্জাদ আলী জহির বক্তব্য দেন।