আজ মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ Logo জনগণকে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে: এমপি মারদিয়া মমতাজ Logo খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ Logo দেবহাটায় সরকারি জমিতে পাকাঁ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ Logo টেকসই উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা Logo আশাশুনিতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo আশাশুনি সদর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo জাল নোট ঠেকাতে সাতক্ষীরার পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ চালু Logo বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট আলোচনা ও স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo উপহারে হাসলো সাতক্ষীরার পিছিয়ে পড়া ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

‘শেখ হাসিনা না ফিরলে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ফিরে পেতাম না’

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪
  • ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনা ১৭ মে দেশে না ফিরলে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ফিরে পেতাম না। শেখ হাসিনা ফিরে সেই স্বদেশকে ফিরিয়ে আনেন। শুক্রবার (১৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ইআরডিএফবি) আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন-যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবনীয় উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ ছিনতাই হয়ে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে না ফিরলে বাংলাদেশ হতো না। তেমনি শেখ হাসিনা ফিরে না আসলে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ ফিরে পেতাম না।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের সাফল্যের একটি অন্যতম খাত হলো যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবনীয় উন্নয়ন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে গত ১৫ বছরে যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর দেশের যোগাযোগ খাত আজ যখন উন্নয়নের শিখরে তখন ফিরে তাকিয়ে সর্বশেষ দশকটি দেখলে উন্নয়নের একটি ভিন্নধর্মী চিত্র দেখা যায়। গত দেড় দশকে স্থিতিশীল আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবস্থার তত্ত্বাবধানে দেশের অন্যান্য খাতের মতো যোগাযোগ খাত পেয়েছে উন্নয়নের ধনাত্মক মাত্রা। দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও বাণিজ্যিক খাতে সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যে শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্বে গত ১০ বছরে যোগাযোগ খাতে গ্রহণ করা হয়েছে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রজেক্ট। আর এর সবকিছুই সম্ভব হয়েছে কেবল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কল্যাণে।

ইআরডিএফবি’র সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ফলেই মূলত বাঙালি জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ফিরে এসেছিলেন বলেই স্বাধীনতাবিরোধী জোট সরকারের শাসনামলে দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির কুশাসনে অতিষ্ঠ বাঙালি জাতি আজ বিশ্বে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এক জাতিতে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনার অকুতোভয় সাহসী নেতৃত্ব, সততা, মেধা ও প্রজ্ঞার কারণে বাংলাদেশ আজ আলোকিত অভিযাত্রায় শামিল হয়েছে, এগিয়ে যাচ্ছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। সেদিন তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই বারবার অন্ধকারে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশ আজ আলোর মিছিলে, কল্যাণের পথে, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। সেমিনারের শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ‘ইআরডিএফবি’র সম্মানিত সিনিয়র সভাপতি এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল জব্বার খাঁন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ

‘শেখ হাসিনা না ফিরলে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ফিরে পেতাম না’

আপডেট সময়: ১১:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনা ১৭ মে দেশে না ফিরলে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ফিরে পেতাম না। শেখ হাসিনা ফিরে সেই স্বদেশকে ফিরিয়ে আনেন। শুক্রবার (১৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ইআরডিএফবি) আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন-যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবনীয় উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ ছিনতাই হয়ে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে না ফিরলে বাংলাদেশ হতো না। তেমনি শেখ হাসিনা ফিরে না আসলে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ ফিরে পেতাম না।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকারের সাফল্যের একটি অন্যতম খাত হলো যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবনীয় উন্নয়ন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে গত ১৫ বছরে যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর দেশের যোগাযোগ খাত আজ যখন উন্নয়নের শিখরে তখন ফিরে তাকিয়ে সর্বশেষ দশকটি দেখলে উন্নয়নের একটি ভিন্নধর্মী চিত্র দেখা যায়। গত দেড় দশকে স্থিতিশীল আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবস্থার তত্ত্বাবধানে দেশের অন্যান্য খাতের মতো যোগাযোগ খাত পেয়েছে উন্নয়নের ধনাত্মক মাত্রা। দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও বাণিজ্যিক খাতে সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যে শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্বে গত ১০ বছরে যোগাযোগ খাতে গ্রহণ করা হয়েছে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রজেক্ট। আর এর সবকিছুই সম্ভব হয়েছে কেবল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কল্যাণে।

ইআরডিএফবি’র সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ফলেই মূলত বাঙালি জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ফিরে এসেছিলেন বলেই স্বাধীনতাবিরোধী জোট সরকারের শাসনামলে দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির কুশাসনে অতিষ্ঠ বাঙালি জাতি আজ বিশ্বে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এক জাতিতে পরিণত হয়েছে। শেখ হাসিনার অকুতোভয় সাহসী নেতৃত্ব, সততা, মেধা ও প্রজ্ঞার কারণে বাংলাদেশ আজ আলোকিত অভিযাত্রায় শামিল হয়েছে, এগিয়ে যাচ্ছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। সেদিন তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই বারবার অন্ধকারে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশ আজ আলোর মিছিলে, কল্যাণের পথে, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। সেমিনারের শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ‘ইআরডিএফবি’র সম্মানিত সিনিয়র সভাপতি এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল জব্বার খাঁন।