আজ মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ Logo জনগণকে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে: এমপি মারদিয়া মমতাজ Logo খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ Logo দেবহাটায় সরকারি জমিতে পাকাঁ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ Logo টেকসই উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা Logo আশাশুনিতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo আশাশুনি সদর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo জাল নোট ঠেকাতে সাতক্ষীরার পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ চালু Logo বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট আলোচনা ও স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo উপহারে হাসলো সাতক্ষীরার পিছিয়ে পড়া ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হলে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০২:০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • ২১৫ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হয়, তবে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার চাওয়া হলে নির্বাচন জুনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। কারণ, আমরা একটি রূপান্তরকালীন সময় পার করছি। এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ।

বুধবার (৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘ ও বিশ্বাসযোগ্য একটি সম্পর্ক রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দেখে সন্তুষ্ট।

প্রধান উপদেষ্টা সরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা করে বলেন, আমাদের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম প্রায় অকার্যকর। এখানে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে নার্সের ঘাটতি রয়েছে। তবে নার্সিং শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক চাহিদা। আমরা এমনভাবে নার্সদের প্রশিক্ষণ দিতে চাই যেন তারা বিশ্বব্যাপী অবদান রাখতে পারে।

তিনি বলেন, আরেকটি সম্ভাবনাময় খাত হলো ওষুধ শিল্প। আমরা চাই ভ্যাকসিনের পেটেন্ট সুরক্ষা তুলে নেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য সোচ্চার ভূমিকা পালন করুক, যাতে সব দেশ সামাজিক ব্যবসার মডেলে স্বল্প খরচে উৎপাদন করতে পারে। দুই পক্ষ শিক্ষা, বস্ত্রশিল্প, প্রতিরক্ষা ও বিমান চলাচলসহ কৌশলগত সহযোগিতার আরও বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বস্ত্র খাত আধুনিকায়ন এবং প্রতিরক্ষা ও বিমান খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই।

উভয় পক্ষ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।

নারীর সমঅধিকার প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবসময় নারীর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দিই। নারী ক্ষমতায়ন আমাদের উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে।

ব্যারোনেস উইন্টারটন চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের কথা জানান। বৈঠকে বিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হয়, তবে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার চাওয়া হলে নির্বাচন জুনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। কারণ, আমরা একটি রূপান্তরকালীন সময় পার করছি। এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ।

বুধবার (৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘ ও বিশ্বাসযোগ্য একটি সম্পর্ক রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দেখে সন্তুষ্ট।

প্রধান উপদেষ্টা সরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা করে বলেন, আমাদের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম প্রায় অকার্যকর। এখানে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে নার্সের ঘাটতি রয়েছে। তবে নার্সিং শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক চাহিদা। আমরা এমনভাবে নার্সদের প্রশিক্ষণ দিতে চাই যেন তারা বিশ্বব্যাপী অবদান রাখতে পারে।

তিনি বলেন, আরেকটি সম্ভাবনাময় খাত হলো ওষুধ শিল্প। আমরা চাই ভ্যাকসিনের পেটেন্ট সুরক্ষা তুলে নেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য সোচ্চার ভূমিকা পালন করুক, যাতে সব দেশ সামাজিক ব্যবসার মডেলে স্বল্প খরচে উৎপাদন করতে পারে। দুই পক্ষ শিক্ষা, বস্ত্রশিল্প, প্রতিরক্ষা ও বিমান চলাচলসহ কৌশলগত সহযোগিতার আরও বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বস্ত্র খাত আধুনিকায়ন এবং প্রতিরক্ষা ও বিমান খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই।

উভয় পক্ষ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।

নারীর সমঅধিকার প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবসময় নারীর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দিই। নারী ক্ষমতায়ন আমাদের উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে।

ব্যারোনেস উইন্টারটন চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের কথা জানান। বৈঠকে বিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ

স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হলে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে

আপডেট সময়: ০২:০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হয়, তবে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার চাওয়া হলে নির্বাচন জুনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। কারণ, আমরা একটি রূপান্তরকালীন সময় পার করছি। এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ।

বুধবার (৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘ ও বিশ্বাসযোগ্য একটি সম্পর্ক রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দেখে সন্তুষ্ট।

প্রধান উপদেষ্টা সরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা করে বলেন, আমাদের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম প্রায় অকার্যকর। এখানে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে নার্সের ঘাটতি রয়েছে। তবে নার্সিং শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক চাহিদা। আমরা এমনভাবে নার্সদের প্রশিক্ষণ দিতে চাই যেন তারা বিশ্বব্যাপী অবদান রাখতে পারে।

তিনি বলেন, আরেকটি সম্ভাবনাময় খাত হলো ওষুধ শিল্প। আমরা চাই ভ্যাকসিনের পেটেন্ট সুরক্ষা তুলে নেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য সোচ্চার ভূমিকা পালন করুক, যাতে সব দেশ সামাজিক ব্যবসার মডেলে স্বল্প খরচে উৎপাদন করতে পারে। দুই পক্ষ শিক্ষা, বস্ত্রশিল্প, প্রতিরক্ষা ও বিমান চলাচলসহ কৌশলগত সহযোগিতার আরও বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বস্ত্র খাত আধুনিকায়ন এবং প্রতিরক্ষা ও বিমান খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই।

উভয় পক্ষ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।

নারীর সমঅধিকার প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবসময় নারীর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দিই। নারী ক্ষমতায়ন আমাদের উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে।

ব্যারোনেস উইন্টারটন চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের কথা জানান। বৈঠকে বিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি স্বল্পমেয়াদি সংস্কারে সম্মত হয়, তবে নির্বাচন ডিসেম্বরেই হতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার চাওয়া হলে নির্বাচন জুনে অনুষ্ঠিত হতে পারে। কারণ, আমরা একটি রূপান্তরকালীন সময় পার করছি। এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ।

বুধবার (৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় ব্যারোনেস উইন্টারটন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘ ও বিশ্বাসযোগ্য একটি সম্পর্ক রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দেখে সন্তুষ্ট।

প্রধান উপদেষ্টা সরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা করে বলেন, আমাদের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম প্রায় অকার্যকর। এখানে যুক্তরাজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনবলের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে নার্সের ঘাটতি রয়েছে। তবে নার্সিং শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক চাহিদা। আমরা এমনভাবে নার্সদের প্রশিক্ষণ দিতে চাই যেন তারা বিশ্বব্যাপী অবদান রাখতে পারে।

তিনি বলেন, আরেকটি সম্ভাবনাময় খাত হলো ওষুধ শিল্প। আমরা চাই ভ্যাকসিনের পেটেন্ট সুরক্ষা তুলে নেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য সোচ্চার ভূমিকা পালন করুক, যাতে সব দেশ সামাজিক ব্যবসার মডেলে স্বল্প খরচে উৎপাদন করতে পারে। দুই পক্ষ শিক্ষা, বস্ত্রশিল্প, প্রতিরক্ষা ও বিমান চলাচলসহ কৌশলগত সহযোগিতার আরও বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বস্ত্র খাত আধুনিকায়ন এবং প্রতিরক্ষা ও বিমান খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই।

উভয় পক্ষ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্ব দেন।

নারীর সমঅধিকার প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবসময় নারীর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দিই। নারী ক্ষমতায়ন আমাদের উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে।

ব্যারোনেস উইন্টারটন চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য সরকারের সমর্থনের কথা জানান। বৈঠকে বিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।