আজ শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার Logo বাংলাদেশের পেস ইতিহাসে হাসানের হ্যাটট্রিক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

তৃণমূলের প্রতীক জোড়াফুল হাতছাড়া হলো মমতার

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:০৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট: ১৯৯৮ সালে পথ চলা শুরু করেছিল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এখন ২০২৬ সাল। দীর্ঘ ২৮ বছর পর এবারই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে কোনও ভোট হবে জোড়া ঘাসফুল প্রতীক ছাড়াই। রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম বিধানসভার আসনে উপনির্বাচনের আগে এ রায় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে আপাতত থাকছে না দলের প্রতীক জোড়া ঘাসফুল, ২৮ বছর আগে যে প্রতীক নিজে এঁকেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীক দাবি করে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল ‘বিদ্রেহী নেতা’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারীরা। মূলত তাদের আবেদনের জবাবেই গত কাল বৃহস্পতিবার রাতে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম আসনের উপনির্বাচনে জোড়া ঘাসফুল প্রতীকের ব্যবহার না হওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দলের মূল নেতা কে, প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস কোনটি এবং দলের তহবিলের মালিকানা কার হাতে থাকবে— এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর মিললেই প্রতীকের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হবে। আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্র নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে বিধানসভার উপনির্বাচন হবে। সব দল প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। তৃণমূলের মমতাপন্থি এবং বিদ্রোহী— এ দুই পক্ষও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে; কিন্তু কোনো পক্ষের প্রার্থীরা এখনও জানেন না যে তারা কোন প্রতীক নিয়ে লড়বেন। প্রসঙ্গত, গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ভাঙ্গন দেখা দেয় তৃণমূল কংগ্রেসে। সেই নির্বাচনে বিধানসভার ২৯৪টি আসনের মধ্যে ৮০টি আসনে বিজয়ী হন তৃণমূল প্রার্থীরা; তবে ফলাফল প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই দলের ভেতর বিদ্রোহ করে বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই ঋতব্রতকে সমর্থন করেন। বিদ্রোহী বিধায়কদের সমর্থন নিয়ে বর্তমানে তিনি পশ্চিমঙ্গের বিধানসভার বিরোধী দলীয় নেতা। কমিশন অবশ্য এ-ও জানিয়েছে যে তৃণমূলের প্রতীক বা দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত প্রায় তিন দশক ধরে এই ‘জোড়াফুল’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক লড়াই, আন্দোলন এবং তার জনপ্রিয় স্লোগান ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সাধারণ ভোটারদের কাছে দলের পরিচিতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই সহজবোধ্য প্রতীকটি বড় ভূমিকা রেখেছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী

তৃণমূলের প্রতীক জোড়াফুল হাতছাড়া হলো মমতার

আপডেট সময়: ১১:০৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট: ১৯৯৮ সালে পথ চলা শুরু করেছিল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এখন ২০২৬ সাল। দীর্ঘ ২৮ বছর পর এবারই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে কোনও ভোট হবে জোড়া ঘাসফুল প্রতীক ছাড়াই। রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম বিধানসভার আসনে উপনির্বাচনের আগে এ রায় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে আপাতত থাকছে না দলের প্রতীক জোড়া ঘাসফুল, ২৮ বছর আগে যে প্রতীক নিজে এঁকেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীক দাবি করে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল ‘বিদ্রেহী নেতা’ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারীরা। মূলত তাদের আবেদনের জবাবেই গত কাল বৃহস্পতিবার রাতে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম আসনের উপনির্বাচনে জোড়া ঘাসফুল প্রতীকের ব্যবহার না হওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দলের মূল নেতা কে, প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস কোনটি এবং দলের তহবিলের মালিকানা কার হাতে থাকবে— এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর মিললেই প্রতীকের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হবে। আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্র নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে বিধানসভার উপনির্বাচন হবে। সব দল প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। তৃণমূলের মমতাপন্থি এবং বিদ্রোহী— এ দুই পক্ষও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে; কিন্তু কোনো পক্ষের প্রার্থীরা এখনও জানেন না যে তারা কোন প্রতীক নিয়ে লড়বেন। প্রসঙ্গত, গত ৪ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ভাঙ্গন দেখা দেয় তৃণমূল কংগ্রেসে। সেই নির্বাচনে বিধানসভার ২৯৪টি আসনের মধ্যে ৮০টি আসনে বিজয়ী হন তৃণমূল প্রার্থীরা; তবে ফলাফল প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই দলের ভেতর বিদ্রোহ করে বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই ঋতব্রতকে সমর্থন করেন। বিদ্রোহী বিধায়কদের সমর্থন নিয়ে বর্তমানে তিনি পশ্চিমঙ্গের বিধানসভার বিরোধী দলীয় নেতা। কমিশন অবশ্য এ-ও জানিয়েছে যে তৃণমূলের প্রতীক বা দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত প্রায় তিন দশক ধরে এই ‘জোড়াফুল’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক লড়াই, আন্দোলন এবং তার জনপ্রিয় স্লোগান ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সাধারণ ভোটারদের কাছে দলের পরিচিতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই সহজবোধ্য প্রতীকটি বড় ভূমিকা রেখেছে।