আজ সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ধুলিহরে মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশু নিহত Logo আশাশুনিতে পেট্রোল পাম্পে চালকদের জরিমানা Logo দেবহাটায় খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন এমপি আব্দুল খালেক Logo নিরাপদ অভিবাসন ও মানব পাচার প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী পটগান প্রদর্শনী Logo খোলপেটুয়া নদীর চরে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo শ্যামনগরে গরীব, অসহায়, বিধবাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ Logo বিশ্বকাপে নামলেই বাংলাদেশের পকেটে ৩ কোটি টাকা, রেকর্ড প্রাইজমানি ঘোষণা Logo উত্তরবঙ্গকে এগ্রো প্রসেসিং হাব করার পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী Logo ঝিকরগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্য নিহত Logo স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে আইনগত অসঙ্গতি রয়েছে : শিশির মনির
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরায় বেপরোয়া মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশু নিহত

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১০:৫১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের সানাপাড়া গ্রামে মাটি বহনকারী বেপরোয়া ট্রলির ধাক্কায় ওমর ফারুক (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওমর ফারুক ওই গ্রামের মো. আরাফাত গাজীর ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা আতাউর রহমান গাজী জানান, সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশের সড়কের ধারে খেলা করছিল শিশু ওমর ফারুক। এ সময় দ্রুতগতির একটি মাটি বহনকারী ট্রলি তাকে ধাক্কা দিলে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার আওতাধীন ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সোহরাব হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্রলিটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধুলিহর এলাকায় বেতনা নদী খননের মাটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে উত্তোলন ও পরিবহন করা হচ্ছে। অসাধু ঠিকাদারদের নিয়ন্ত্রণহীন কার্যক্রমের ফলে সড়কে বেপরোয়া ট্রলি চলাচল করছে, যা জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, এ ধরনের অবৈধ মাটি পরিবহন বন্ধে পুলিশ অভিযান চালালে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী লিয়াকত হোসেন বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০-৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার হলেও পরে তারা জামিনে মুক্তি পায়। স্থানীয়রা জানান, জামিনে মুক্তির পর আবারও একই চক্র বেপরোয়াভাবে মাটি পরিবহন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। তারা দ্রুত এসব অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ধুলিহরে মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশু নিহত

সাতক্ষীরায় বেপরোয়া মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশু নিহত

আপডেট সময়: ১০:৫১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের সানাপাড়া গ্রামে মাটি বহনকারী বেপরোয়া ট্রলির ধাক্কায় ওমর ফারুক (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওমর ফারুক ওই গ্রামের মো. আরাফাত গাজীর ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা আতাউর রহমান গাজী জানান, সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশের সড়কের ধারে খেলা করছিল শিশু ওমর ফারুক। এ সময় দ্রুতগতির একটি মাটি বহনকারী ট্রলি তাকে ধাক্কা দিলে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার আওতাধীন ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সোহরাব হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্রলিটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধুলিহর এলাকায় বেতনা নদী খননের মাটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে উত্তোলন ও পরিবহন করা হচ্ছে। অসাধু ঠিকাদারদের নিয়ন্ত্রণহীন কার্যক্রমের ফলে সড়কে বেপরোয়া ট্রলি চলাচল করছে, যা জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, এ ধরনের অবৈধ মাটি পরিবহন বন্ধে পুলিশ অভিযান চালালে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী লিয়াকত হোসেন বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০-৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার হলেও পরে তারা জামিনে মুক্তি পায়। স্থানীয়রা জানান, জামিনে মুক্তির পর আবারও একই চক্র বেপরোয়াভাবে মাটি পরিবহন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। তারা দ্রুত এসব অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।