আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের সঙ্গে দেশ টিভির আবেগঘন ব্যতিক্রমী দেড় যুগ উদযাপন

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১০:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মানেই সাধারণত আনন্দ-উৎসব, কেক কাটা আর আনুষ্ঠানিকতা। কিন্তু সেই চেনা ধারার বাইরে গিয়ে এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগে দেড় যুগ পূর্তি উদযাপন করল দেশ টিভি যা শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, সহমর্মিতা আর দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
সাতক্ষীরার উপকূলঘেঁষা প্রাকৃতিক বিস্ময় সুন্দরবন যেখানে জীবনের প্রতিটি দিনই সংগ্রামের, সেখানেই আয়োজন করা হয় এই বিশেষ অনুষ্ঠান। প্রকৃতির কঠোর বাস্তবতায় দিন কাটানো বাঘ-বিধবা নারীদের সঙ্গে নিয়ে উদযাপিত হয় দেশ টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ফলে আনন্দের এই আয়োজন পায় এক গভীর মানবিক মাত্রা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশ ফোরামের শ্যামনগর উপজেলা সমন্বয়কারী ও সুন্দরবন গবেষক পীযূষ বাউলিয়া পিন্টু। তিনি বলেন, মানুষের সমাজ জীবনে গণমাধ্যম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক গণমাধ্যমই মূলধারার বাইরে থাকা মানুষের কথা তুলে ধরতে পিছিয়ে থাকে। সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের জীবনসংগ্রাম সেই অবহেলিত গল্পগুলোর একটি। সেই জায়গা থেকেই দেশ টিভি ব্যতিক্রমী ভূমিকা পালন করে আসছে।
তার এই বক্তব্য যেন পুরো আয়োজনের দর্শনকে তুলে ধরে। কারণ, এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের জন্মদিন উদযাপন নয় বরং সমাজের প্রান্তিক, অবহেলিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর একটি দৃশ্যমান প্রয়াস।
এর আগেও দেশ টিভির দর্শক সংগঠন নানা মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। কখনো অনাথ শিশুদের নিয়ে, কখনো প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে। আর এবারের আয়োজনটি ছিল আরও হৃদয়স্পর্শী সুন্দরবনের বাঘ-বিধবা নারীদের নিয়ে, যারা প্রতিনিয়ত হারানোর বেদনা বুকে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল এক আবেগঘন মুহূর্ত। সমাজের অনগ্রসর ও বঞ্চিত এই নারীদের হাতেই তুলে দেওয়া হয় কেক কাটার দায়িত্ব। নতুন লোগো সম্বলিত সেই কেক কাটার দৃশ্য যেন প্রতীক হয়ে ওঠে সমাজের মূল স্রোতে তাদের অংশগ্রহণের।
এরপর তাদের মাঝে বিতরণ করা হয় বস্ত্র, খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপহার। উপহার পেয়ে অনেকেই আবেগে আপ¬ুত হয়ে পড়েন। দীর্ঘদিনের অবহেলা আর কষ্টের জীবনে এমন সম্মান আর ভালোবাসা তাদের কাছে যেন এক বিরল প্রাপ্তি।
বাঘ-বিধবা সোনামণি চোখ ভেজা কণ্ঠে বলেন, আমাদের কথা কেউ ভাবে না। আজকে মনে হচ্ছে, আমরা একা না।
বাঘ-বিধবা তৈয়বা বিবি বলেন, এই ভালোবাসা আমরা কোনোদিন ভুলবো না। আমাদের দুঃখ কেউ বুঝেছে, এটাই অনেক।
বাঘ-বিধবা মুনজিলা খাতুন বলেন, আজকে আমরা সম্মান পেয়েছি, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
তাদের এই কথাগুলো শুধু আবেগ নয় বরং সমাজের প্রতি এক নীরব প্রশ্নও বটে।
এই ব্যতিক্রমী আয়োজন প্রমাণ করে, একটি গণমাধ্যম শুধু খবর পরিবেশন করেই দায়িত্ব শেষ করে না; বরং মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে, তাদের জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়েই প্রকৃত অর্থে পরিপূর্ণতা পায় বলে জানান শুভেচ্ছা জানাতে আসা ফেইথ ইন এ্যাকশন এর কর্মকর্তা পরিতোষ মন্ডল।
দেশ টিভির দেড় যুগ পূর্তি উদযাপন হলো এক ব্যতিক্রমী মানবিক আয়োজনে। সাতক্ষীরার সুন্দরবন উপকূলের আকাশলীনা পয়েন্টে মঙ্গলবার দুপুরে বাঘ-বিধবা নারীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয় এই আনন্দঘন মুহূর্ত। আনুষ্ঠানিকতা আর কেক কাটার প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে সমাজের প্রান্তিক এই নারীদের হাতেই তুলে দেওয়া হয় কেক কাটার দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশ ফোরামের স্থানীয় সমন্বয়কারী ও সুন্দরবন গবেষক পীযূষ বাউলিয়া পিন্টু। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের দায়িত্ব শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা।
লিডার্স এর কর্মসূচি পরিচালক এবিএম জাকারিয়া বলেন, বাঘ-বিধবা নারীদের মাঝে বিতরণ করা হয় বস্ত্র, খাদ্যসামগ্রীসহ শুভদিনের বিভিন্ন উপহার। উপহার পেয়ে অনেকেই আবেগে আপ¬ুত হয়ে পড়েন। তাদের ভাষায়, বাঘের মুখে পড়ে জীবন হারানো স্বামীদের মৃত্যুর পর তারা পুরোপুরি সমাজ বিচিছন্ন ছিল আজ সম্মান ও ভালোবাসা পেয়ে তারা আপ্লুত। এমন সম্মান খুব কমই পেয়েছেন এসব সুন্দরবনের বনজীবী বাঘ বিধাব নারীরা।
বাঘ বিধবা পারভীন আক্তার বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশ টিভি আবারও প্রমাণ করলো, একটি গণমাধ্যম মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবনে আশার আলো জ্বালাতে পারে। আর সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের সঙ্গে এই উদযাপন যেন বলে দেয় উৎসবের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
অনুষ্ঠানে কবি, সাংবাদিক, উন্নয়ন ও সমাজকর্মী, সাংবাদিকসহ অনেকেই উপস্থিত হন।
দেশ টিভি’র স্টাফ রিপোর্টার শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রথম আয়োজন সুন্দরবনাঞ্চলের হতভাগ্য বাঘবিধবাদের সাথে করতে পেরে আমরা গর্বিত। অতিদ্রুত শহরের সামাজিক, প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সাথে নিয়ে জেলা সদরে আরও বৃহত্তর পরিসরে আয়োজন করা হবে।
দেড় যুগের পথচলায় দেশ টিভি সেই মানবিক দায়িত্ববোধের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আর সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের সঙ্গে এই আয়োজন যেন বলে দেয় উৎসবের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের সঙ্গে দেশ টিভির আবেগঘন ব্যতিক্রমী দেড় যুগ উদযাপন

আপডেট সময়: ১০:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী মানেই সাধারণত আনন্দ-উৎসব, কেক কাটা আর আনুষ্ঠানিকতা। কিন্তু সেই চেনা ধারার বাইরে গিয়ে এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগে দেড় যুগ পূর্তি উদযাপন করল দেশ টিভি যা শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, সহমর্মিতা আর দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
সাতক্ষীরার উপকূলঘেঁষা প্রাকৃতিক বিস্ময় সুন্দরবন যেখানে জীবনের প্রতিটি দিনই সংগ্রামের, সেখানেই আয়োজন করা হয় এই বিশেষ অনুষ্ঠান। প্রকৃতির কঠোর বাস্তবতায় দিন কাটানো বাঘ-বিধবা নারীদের সঙ্গে নিয়ে উদযাপিত হয় দেশ টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ফলে আনন্দের এই আয়োজন পায় এক গভীর মানবিক মাত্রা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশ ফোরামের শ্যামনগর উপজেলা সমন্বয়কারী ও সুন্দরবন গবেষক পীযূষ বাউলিয়া পিন্টু। তিনি বলেন, মানুষের সমাজ জীবনে গণমাধ্যম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক গণমাধ্যমই মূলধারার বাইরে থাকা মানুষের কথা তুলে ধরতে পিছিয়ে থাকে। সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের জীবনসংগ্রাম সেই অবহেলিত গল্পগুলোর একটি। সেই জায়গা থেকেই দেশ টিভি ব্যতিক্রমী ভূমিকা পালন করে আসছে।
তার এই বক্তব্য যেন পুরো আয়োজনের দর্শনকে তুলে ধরে। কারণ, এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের জন্মদিন উদযাপন নয় বরং সমাজের প্রান্তিক, অবহেলিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর একটি দৃশ্যমান প্রয়াস।
এর আগেও দেশ টিভির দর্শক সংগঠন নানা মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। কখনো অনাথ শিশুদের নিয়ে, কখনো প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে। আর এবারের আয়োজনটি ছিল আরও হৃদয়স্পর্শী সুন্দরবনের বাঘ-বিধবা নারীদের নিয়ে, যারা প্রতিনিয়ত হারানোর বেদনা বুকে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল এক আবেগঘন মুহূর্ত। সমাজের অনগ্রসর ও বঞ্চিত এই নারীদের হাতেই তুলে দেওয়া হয় কেক কাটার দায়িত্ব। নতুন লোগো সম্বলিত সেই কেক কাটার দৃশ্য যেন প্রতীক হয়ে ওঠে সমাজের মূল স্রোতে তাদের অংশগ্রহণের।
এরপর তাদের মাঝে বিতরণ করা হয় বস্ত্র, খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপহার। উপহার পেয়ে অনেকেই আবেগে আপ¬ুত হয়ে পড়েন। দীর্ঘদিনের অবহেলা আর কষ্টের জীবনে এমন সম্মান আর ভালোবাসা তাদের কাছে যেন এক বিরল প্রাপ্তি।
বাঘ-বিধবা সোনামণি চোখ ভেজা কণ্ঠে বলেন, আমাদের কথা কেউ ভাবে না। আজকে মনে হচ্ছে, আমরা একা না।
বাঘ-বিধবা তৈয়বা বিবি বলেন, এই ভালোবাসা আমরা কোনোদিন ভুলবো না। আমাদের দুঃখ কেউ বুঝেছে, এটাই অনেক।
বাঘ-বিধবা মুনজিলা খাতুন বলেন, আজকে আমরা সম্মান পেয়েছি, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
তাদের এই কথাগুলো শুধু আবেগ নয় বরং সমাজের প্রতি এক নীরব প্রশ্নও বটে।
এই ব্যতিক্রমী আয়োজন প্রমাণ করে, একটি গণমাধ্যম শুধু খবর পরিবেশন করেই দায়িত্ব শেষ করে না; বরং মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে, তাদের জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়েই প্রকৃত অর্থে পরিপূর্ণতা পায় বলে জানান শুভেচ্ছা জানাতে আসা ফেইথ ইন এ্যাকশন এর কর্মকর্তা পরিতোষ মন্ডল।
দেশ টিভির দেড় যুগ পূর্তি উদযাপন হলো এক ব্যতিক্রমী মানবিক আয়োজনে। সাতক্ষীরার সুন্দরবন উপকূলের আকাশলীনা পয়েন্টে মঙ্গলবার দুপুরে বাঘ-বিধবা নারীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয় এই আনন্দঘন মুহূর্ত। আনুষ্ঠানিকতা আর কেক কাটার প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে সমাজের প্রান্তিক এই নারীদের হাতেই তুলে দেওয়া হয় কেক কাটার দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেশ ফোরামের স্থানীয় সমন্বয়কারী ও সুন্দরবন গবেষক পীযূষ বাউলিয়া পিন্টু। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের দায়িত্ব শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা।
লিডার্স এর কর্মসূচি পরিচালক এবিএম জাকারিয়া বলেন, বাঘ-বিধবা নারীদের মাঝে বিতরণ করা হয় বস্ত্র, খাদ্যসামগ্রীসহ শুভদিনের বিভিন্ন উপহার। উপহার পেয়ে অনেকেই আবেগে আপ¬ুত হয়ে পড়েন। তাদের ভাষায়, বাঘের মুখে পড়ে জীবন হারানো স্বামীদের মৃত্যুর পর তারা পুরোপুরি সমাজ বিচিছন্ন ছিল আজ সম্মান ও ভালোবাসা পেয়ে তারা আপ্লুত। এমন সম্মান খুব কমই পেয়েছেন এসব সুন্দরবনের বনজীবী বাঘ বিধাব নারীরা।
বাঘ বিধবা পারভীন আক্তার বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশ টিভি আবারও প্রমাণ করলো, একটি গণমাধ্যম মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবনে আশার আলো জ্বালাতে পারে। আর সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের সঙ্গে এই উদযাপন যেন বলে দেয় উৎসবের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।
অনুষ্ঠানে কবি, সাংবাদিক, উন্নয়ন ও সমাজকর্মী, সাংবাদিকসহ অনেকেই উপস্থিত হন।
দেশ টিভি’র স্টাফ রিপোর্টার শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রথম আয়োজন সুন্দরবনাঞ্চলের হতভাগ্য বাঘবিধবাদের সাথে করতে পেরে আমরা গর্বিত। অতিদ্রুত শহরের সামাজিক, প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের সাথে নিয়ে জেলা সদরে আরও বৃহত্তর পরিসরে আয়োজন করা হবে।
দেড় যুগের পথচলায় দেশ টিভি সেই মানবিক দায়িত্ববোধের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আর সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের সঙ্গে এই আয়োজন যেন বলে দেয় উৎসবের আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।