আজ বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ Logo জনগণকে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে: এমপি মারদিয়া মমতাজ Logo খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ Logo দেবহাটায় সরকারি জমিতে পাকাঁ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ Logo টেকসই উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা Logo আশাশুনিতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo আশাশুনি সদর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo জাল নোট ঠেকাতে সাতক্ষীরার পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ চালু Logo বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট আলোচনা ও স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo উপহারে হাসলো সাতক্ষীরার পিছিয়ে পড়া ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

পারুলিয়া-কুলিয়া সড়কের পাশে খনন করে বালি না দিয়ে ফেলে রাখা

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

আবুল হাসান, দেবহাটা: সাতক্ষীরা থেকে কালীগঞ্জগামী প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ চলমান থাকলেও দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ও কুলিয়া এলাকায় সড়কের পাশে খনন করে দীর্ঘদিন বালি না দিয়ে ফেলে রাখায় জনসাধারণের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কুলিয়া এলাইহী দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সড়কের পশ্চিম পাশে গভীরভাবে খনন করে রাখা হয়েছে। তবে খননকৃত স্থানে বালি ভরাট, পানি ছিটানো কিংবা রোলার দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো- সেখানে কোনো ধরনের বিপদসংকেত বা সতর্কতামূলক চিহ্নও স্থাপন করা হয়নি। স্থানীয়দের মতে, খননকৃত গর্তটি বর্তমানে এলাকাবাসীর জন্য এক ধরনের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। খননের পাশেই বসতবাড়ি থাকায় প্রতিদিন ছোট ছোট শিশু সেখানে খেলাধুলা করতে আসে। একাধিক অভিভাবক জানান, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়েই শিশুরা ওই স্থানে পড়ে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে বলে তারা আতঙ্কে রয়েছেন। এলাকাবাসী আরও জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে খনন করে ফেলে রাখা হলেও এখনো বালি ভরাট কিংবা কাজ শেষ করার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কাজ চলছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। বয়স্ক মানুষদের জন্য খননের পাশ দিয়ে চলাচল করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে সেখানে ছোটখাটো দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর অভাবে খননকৃত অংশটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। কোনো লাল পতাকা বা সতর্কতা সংকেত না থাকায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পথচারীরা। এদিকে অন্য অংশে খনন করা স্থানে বালি দেওয়া হলেও সেখানে নিম্নমানের বালি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সড়ক নির্মাণকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত খননকৃত স্থানে বালি ভরাট, সতর্কতামূলক সংকেত স্থাপন এবং সড়ক নির্মাণকাজ তদারকিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ

পারুলিয়া-কুলিয়া সড়কের পাশে খনন করে বালি না দিয়ে ফেলে রাখা

আপডেট সময়: ১১:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

আবুল হাসান, দেবহাটা: সাতক্ষীরা থেকে কালীগঞ্জগামী প্রধান সড়কের উন্নয়নকাজ চলমান থাকলেও দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ও কুলিয়া এলাকায় সড়কের পাশে খনন করে দীর্ঘদিন বালি না দিয়ে ফেলে রাখায় জনসাধারণের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কুলিয়া এলাইহী দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সড়কের পশ্চিম পাশে গভীরভাবে খনন করে রাখা হয়েছে। তবে খননকৃত স্থানে বালি ভরাট, পানি ছিটানো কিংবা রোলার দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো- সেখানে কোনো ধরনের বিপদসংকেত বা সতর্কতামূলক চিহ্নও স্থাপন করা হয়নি। স্থানীয়দের মতে, খননকৃত গর্তটি বর্তমানে এলাকাবাসীর জন্য এক ধরনের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। খননের পাশেই বসতবাড়ি থাকায় প্রতিদিন ছোট ছোট শিশু সেখানে খেলাধুলা করতে আসে। একাধিক অভিভাবক জানান, সকালে বাড়ি থেকে বের হয়েই শিশুরা ওই স্থানে পড়ে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে বলে তারা আতঙ্কে রয়েছেন। এলাকাবাসী আরও জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে খনন করে ফেলে রাখা হলেও এখনো বালি ভরাট কিংবা কাজ শেষ করার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। কাজ চলছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। বয়স্ক মানুষদের জন্য খননের পাশ দিয়ে চলাচল করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে সেখানে ছোটখাটো দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর অভাবে খননকৃত অংশটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। কোনো লাল পতাকা বা সতর্কতা সংকেত না থাকায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পথচারীরা। এদিকে অন্য অংশে খনন করা স্থানে বালি দেওয়া হলেও সেখানে নিম্নমানের বালি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সড়ক নির্মাণকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত খননকৃত স্থানে বালি ভরাট, সতর্কতামূলক সংকেত স্থাপন এবং সড়ক নির্মাণকাজ তদারকিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।