আব্দুর রহমান: সাতক্ষীরার গ্রামীণ অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো এখন সুরম্য ও সৌন্দর্যমণ্ডিত ভবনের কারণে নজর কাড়ছে। জেলা জুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের ইতিবাচক চিত্র দৃশ্যমান। তবে এর মাঝেই শহরের দক্ষিণ ঘোষপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা এক কঠিন বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিদ্যালয়ের মাত্র দুটি শ্রেণিকক্ষ ও একটি শিক্ষককক্ষ এখন সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। শ্রেণিকক্ষের পলাস্টার খসে পড়ছে প্রতিনিয়ত, ছাদের অংশ ভেঙে পড়ছে হঠাৎ হঠাৎ। স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে ক্লাস চলাকালে দুর্ঘটনার শঙ্কায় থাকেন শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা। জরাজীর্ণ ভবনটির কারণে ১৮৫ জন কোমলমতি শিক্ষার্থী প্রতিনিয়ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। অভিভাবকদের মধ্যেও বিরাজ করছে গভীর উদ্বেগ।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমেলা রানী সরকার বলেন, ‘ভবনের এমন নাজুক অবস্থা সম্পর্কে আমরা বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ একান্ত প্রয়োজন।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন জানান, ‘সম্প্রতি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি দেখেছি। ভবন সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে ওপর মহলে ইতিমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’
বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা দ্রুত ভবন সংস্কার বা নবনির্মাণের মাধ্যমে নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টার 























