আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

ভিক্ষুক পুনর্বাসন অনুদান নিয়ে বিভ্রান্তি: অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি সমাজসেবা কর্মকর্তার

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: কালীগঞ্জ উপজেলার ভিক্ষুক পুনর্বাসন খাতের ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ সমাজসেবা অফিসের প্রাবেশন কর্মকর্তা শেখ সহিদুর রহমান-এর বিরুদ্ধে উঠেছে, তা ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগকে ‘একটি বিশেষ গোষ্ঠীর মানহানির অপচেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মথুরেশপুর ইউনিয়নের চরদাহ এলাকার প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক আলমগীর কবিরের নামে বরাদ্দ ৩০ হাজার টাকা কর্মকর্তা আত্মসাৎ করেছেন বলে সম্প্রতি একটি অভিযোগ দায়ের হয়। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিক্ষুক পুনর্বাসন প্রকল্পের পরিচালক ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক তদন্তও করেন। তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শেখ শহিদুর রহমান জানান, গতবছর আলমগীরকে একটি ট্রাইসাইকেল ও ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। অনুদানের টাকা তার মা ফাতেমা-এর হাতে দেওয়া হয়েছিল- যা তদন্তকারীর কাছেও স্বীকার করেছেন আলমগীরের মা। তিনি আরও বলেন, ট্রাইসাইকেল পাওয়ার পর আলমগীর মা–বাড়িতে না থেকে তার তৃতীয় স্ত্রীর বাড়ি খানজিয়ায় চলে যান। এ কারণে আলমগীরের হাতে সরাসরি টাকা না গিয়ে তার মায়ের কাছেই ছিল। পরে এলাকার ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে পুরো ৩০ হাজার টাকা আলমগীর বুঝে পান। শেখ শহিদুর রহমান অভিযোগ তোলার পেছনে ‘একটি মহলকে দায়ী’ করে বলেন, “যারা আমাকে হেয় করার চেষ্টা করেছে, তাদের বিচার আমি আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছি। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আমার সামাজিক মর্যাদাহানি ঘটানোর চেষ্টা হয়েছে।”

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিক্ষুক পুনর্বাসন অনুদান নিয়ে বিভ্রান্তি: অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি সমাজসেবা কর্মকর্তার

আপডেট সময়: ০৪:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার: কালীগঞ্জ উপজেলার ভিক্ষুক পুনর্বাসন খাতের ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ সমাজসেবা অফিসের প্রাবেশন কর্মকর্তা শেখ সহিদুর রহমান-এর বিরুদ্ধে উঠেছে, তা ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগকে ‘একটি বিশেষ গোষ্ঠীর মানহানির অপচেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মথুরেশপুর ইউনিয়নের চরদাহ এলাকার প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক আলমগীর কবিরের নামে বরাদ্দ ৩০ হাজার টাকা কর্মকর্তা আত্মসাৎ করেছেন বলে সম্প্রতি একটি অভিযোগ দায়ের হয়। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিক্ষুক পুনর্বাসন প্রকল্পের পরিচালক ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক তদন্তও করেন। তবে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শেখ শহিদুর রহমান জানান, গতবছর আলমগীরকে একটি ট্রাইসাইকেল ও ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। অনুদানের টাকা তার মা ফাতেমা-এর হাতে দেওয়া হয়েছিল- যা তদন্তকারীর কাছেও স্বীকার করেছেন আলমগীরের মা। তিনি আরও বলেন, ট্রাইসাইকেল পাওয়ার পর আলমগীর মা–বাড়িতে না থেকে তার তৃতীয় স্ত্রীর বাড়ি খানজিয়ায় চলে যান। এ কারণে আলমগীরের হাতে সরাসরি টাকা না গিয়ে তার মায়ের কাছেই ছিল। পরে এলাকার ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে পুরো ৩০ হাজার টাকা আলমগীর বুঝে পান। শেখ শহিদুর রহমান অভিযোগ তোলার পেছনে ‘একটি মহলকে দায়ী’ করে বলেন, “যারা আমাকে হেয় করার চেষ্টা করেছে, তাদের বিচার আমি আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছি। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আমার সামাজিক মর্যাদাহানি ঘটানোর চেষ্টা হয়েছে।”