নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক পরিবারের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ রফিকুল ইসলাম দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেবহাটার কোঁড়া এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (৬০)-এর সঙ্গে তার সহোদর ভাই মোঃ আব্দুল হামিদ (৬৫) ও পরিবারের অন্য সদস্যদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। রফিকুলের অভিযোগ, গত ১১ নভেম্বর রাত ১০টার দিকে আব্দুল হামিদ, তার ছেলে রুহুল আমিন, জামাতা মিলন হোসেন ও প্রিন্সসহ ৭–৮ জন লাঠিসোটা নিয়ে তাদের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা প্রথমে তাদের বসতঘরের লোহার গ্রিল ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশ করে তার ছেলে আল মামুনকে মারধর করে। একপর্যায়ে মিলন হোসেনের লাঠির আঘাতে আল মামুনের বাম হাতের মধ্যমা আঙুলে কাটা জখম এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলাও জখম করে। এ সময় রফিকুলের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ঠেকাতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত মিলন হোসেন সম্প্রতি তার স্ত্রীসহ চোরাই মোটরসাইকেল সংক্রান্ত মামলায় আটক হয়ে জেল খেটে বর্তমানে জামিনে আছেন।
রফিকুলের দাবি, হামলার একপর্যায়ে মিলন হোসেন ঘরে থাকা সোকেজের ড্রয়ার ভেঙে ৪ ভরি ওজনের দুটি স্বর্ণের রুলি (মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা) এবং নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে যান। এছাড়া বসতভিটার ঘেরাবেড়া ভাঙচুর করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি করে।
ভুক্তভোগীদের ডাকচিৎকার শুনে প্রতিবেশী মনিরুল ইসলাম, সুফিয়া খাতুন ও জোহরা খাতুনসহ অনেকে এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার সময় প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
রফিকুল ইসলামের ছেলে আল মামুনকে স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারটি পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেবহাটার কোঁড়া এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (৬০)-এর সঙ্গে তার সহোদর ভাই মোঃ আব্দুল হামিদ (৬৫) ও পরিবারের অন্য সদস্যদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। রফিকুলের অভিযোগ, গত ১১ নভেম্বর রাত ১০টার দিকে আব্দুল হামিদ, তার ছেলে রুহুল আমিন, জামাতা মিলন হোসেন ও প্রিন্সসহ ৭–৮ জন লাঠিসোটা নিয়ে তাদের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা প্রথমে তাদের বসতঘরের লোহার গ্রিল ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশ করে তার ছেলে আল মামুনকে মারধর করে। একপর্যায়ে মিলন হোসেনের লাঠির আঘাতে আল মামুনের বাম হাতের মধ্যমা আঙুলে কাটা জখম এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলাও জখম করে। এ সময় রফিকুলের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ঠেকাতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত মিলন হোসেন সম্প্রতি তার স্ত্রীসহ চোরাই মোটরসাইকেল সংক্রান্ত মামলায় আটক হয়ে জেল খেটে বর্তমানে জামিনে আছেন।
রফিকুলের দাবি, হামলার একপর্যায়ে মিলন হোসেন ঘরে থাকা সোকেজের ড্রয়ার ভেঙে ৪ ভরি ওজনের দুটি স্বর্ণের রুলি (মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা) এবং নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে যান। এছাড়া বসতভিটার ঘেরাবেড়া ভাঙচুর করে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি করে।
ভুক্তভোগীদের ডাকচিৎকার শুনে প্রতিবেশী মনিরুল ইসলাম, সুফিয়া খাতুন ও জোহরা খাতুনসহ অনেকে এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার সময় প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
রফিকুল ইসলামের ছেলে আল মামুনকে স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারটি পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
রিপোর্টার 























