আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরায় কথিত এনজিওর কোটি টাকার প্রতারণা, অফিসে তালা ঝুলিয়ে পরিচালকরা উধাও

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার আদালতপাড়া ও রেজিস্ট্রি অফিস এলাকা ঘিরে গড়ে ওঠা ‘সাদিক জনকল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি’ নামের কথিত এনজিও কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল হামিদ ও অন্যান্য কর্মকর্তারা গ্রাহকদের আস্থা ভাঙার পর অফিসে তালা ঝুলিয়ে উধাও হয়েছেন।

২০২০ সালের মাঝামাঝি শুরু হওয়া প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংকের মতো রেকর্ডবুক, চেকবই, প্যাড ও সঞ্চয়পত্র সাজিয়ে সাধারণ মানুষকে লোভ দেখিয়ে ডিপিএস, এফডিআর ও সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। প্রথম দিকে নিয়মিত লভ্যাংশ দেওয়া হলেও ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর থেকে কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। ৫ আগস্টের পর অফিসে তালা পড়লে কোটি টাকার প্রতারণার চিত্র প্রকাশ পায়।

প্রতারণায় সক্রিয় ছিলেন ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, নারী কর্মী পিয়া সুলতানা, খাদিজা খাতুন, শান্তা ও রিনা। তারা গ্রাহকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে আস্থা অর্জন করতেন এবং নতুন বিনিয়োগের টাকা দিয়ে পুরনো গ্রাহকদের লভ্যাংশ দেওয়া হতো।

গ্রাহকরা জানাচ্ছেন, জজ কোর্ট ও রেজিস্ট্রি অফিস এলাকা থেকে প্রায় তিন শতাধিক বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে কোটি টাকারও বেশি অর্থ সংগৃহীত হয়েছে। প্রতারিত অনেকেই এফডিআর বই, ডিপিএস রসিদ, সঞ্চয়পত্র ও চেকের কপি নিয়ে আইনী পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সাদিক জনকল্যাণ সমিতির প্রতি নজরদারি না থাকায় সাধারণ মানুষের আস্থা ও আর্থিক নিরাপত্তায় চরম আঘাত হয়েছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় কথিত এনজিওর কোটি টাকার প্রতারণা, অফিসে তালা ঝুলিয়ে পরিচালকরা উধাও

আপডেট সময়: ০১:০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

সাতক্ষীরার আদালতপাড়া ও রেজিস্ট্রি অফিস এলাকা ঘিরে গড়ে ওঠা ‘সাদিক জনকল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি’ নামের কথিত এনজিও কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল হামিদ ও অন্যান্য কর্মকর্তারা গ্রাহকদের আস্থা ভাঙার পর অফিসে তালা ঝুলিয়ে উধাও হয়েছেন।

২০২০ সালের মাঝামাঝি শুরু হওয়া প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংকের মতো রেকর্ডবুক, চেকবই, প্যাড ও সঞ্চয়পত্র সাজিয়ে সাধারণ মানুষকে লোভ দেখিয়ে ডিপিএস, এফডিআর ও সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। প্রথম দিকে নিয়মিত লভ্যাংশ দেওয়া হলেও ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর থেকে কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। ৫ আগস্টের পর অফিসে তালা পড়লে কোটি টাকার প্রতারণার চিত্র প্রকাশ পায়।

প্রতারণায় সক্রিয় ছিলেন ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, নারী কর্মী পিয়া সুলতানা, খাদিজা খাতুন, শান্তা ও রিনা। তারা গ্রাহকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে আস্থা অর্জন করতেন এবং নতুন বিনিয়োগের টাকা দিয়ে পুরনো গ্রাহকদের লভ্যাংশ দেওয়া হতো।

গ্রাহকরা জানাচ্ছেন, জজ কোর্ট ও রেজিস্ট্রি অফিস এলাকা থেকে প্রায় তিন শতাধিক বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে কোটি টাকারও বেশি অর্থ সংগৃহীত হয়েছে। প্রতারিত অনেকেই এফডিআর বই, ডিপিএস রসিদ, সঞ্চয়পত্র ও চেকের কপি নিয়ে আইনী পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সাদিক জনকল্যাণ সমিতির প্রতি নজরদারি না থাকায় সাধারণ মানুষের আস্থা ও আর্থিক নিরাপত্তায় চরম আঘাত হয়েছে।