আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শ্যামনগরে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে বৈষম্যের অভিযোগ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১১:০০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) উচ্ছেদ অভিযানে সহায় সম্বলহীন পরিবারগুলো ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হলেও প্রভাবশালীদের স্থাপনা অক্ষত থাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। ১৫ অক্টোবর সাতক্ষীরা থেকে ভেটখালী পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়। এতে জলিল, নবী হোসেন, মনো বেগম, জরিনা বেগম ও রুনা আক্তারের মতো নিম্ন আয়ের অনেক পরিবার ঘর ও দোকান হারিয়ে পথে বসেছে। উচ্ছেদ অভিযানে বংশিপুরে দেয়াল চাপা পড়ে একটি গর্ভবতী গরু মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। কিন্তু ক্রিমসন রোজেলা সীফুড লিঃ নামের প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা না ভাঙায় প্রশ্ন উঠেছে বৈষম্য নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির দুই পাশে চিহ্নিত স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও মূল ভবন অক্ষত রয়েছে। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে কর্মচারীরা ক্ষিপ্ত হন। সওজ সার্ভেয়ার মো. সোহেল রানা বলেন, “লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত স্থাপনা ভাঙা হচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে সময় নিয়েছে।” নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পারভেজকে ফোনে পাওয়া যায়নি। সেচ্ছাসেবী সংগঠন শরুব ইয়ুথ টিমের পরিচালক জান্নাতুন নাইম বলেন, “উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানাই, তবে বৈষম্যমূলক আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।” এই ঘটনায় শ্যামনগরের সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে বৈষম্যের অভিযোগ

আপডেট সময়: ১১:০০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) উচ্ছেদ অভিযানে সহায় সম্বলহীন পরিবারগুলো ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হলেও প্রভাবশালীদের স্থাপনা অক্ষত থাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। ১৫ অক্টোবর সাতক্ষীরা থেকে ভেটখালী পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়। এতে জলিল, নবী হোসেন, মনো বেগম, জরিনা বেগম ও রুনা আক্তারের মতো নিম্ন আয়ের অনেক পরিবার ঘর ও দোকান হারিয়ে পথে বসেছে। উচ্ছেদ অভিযানে বংশিপুরে দেয়াল চাপা পড়ে একটি গর্ভবতী গরু মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। কিন্তু ক্রিমসন রোজেলা সীফুড লিঃ নামের প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা না ভাঙায় প্রশ্ন উঠেছে বৈষম্য নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির দুই পাশে চিহ্নিত স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও মূল ভবন অক্ষত রয়েছে। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে কর্মচারীরা ক্ষিপ্ত হন। সওজ সার্ভেয়ার মো. সোহেল রানা বলেন, “লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত স্থাপনা ভাঙা হচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে সময় নিয়েছে।” নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পারভেজকে ফোনে পাওয়া যায়নি। সেচ্ছাসেবী সংগঠন শরুব ইয়ুথ টিমের পরিচালক জান্নাতুন নাইম বলেন, “উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানাই, তবে বৈষম্যমূলক আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।” এই ঘটনায় শ্যামনগরের সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।