আজ রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার Logo বাংলাদেশের পেস ইতিহাসে হাসানের হ্যাটট্রিক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

গোপালগঞ্জে সহিংসতায় মৃত্যু বেড়ে ৫

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৬:১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ অটোরিকশাচালক রমজান মুন্সী (৩২) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর ফলে এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।

নিহতের ভাই ইমরান মুন্সী জানান, বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে অটোরিকশা নিয়ে যাওয়ার সময় রমজান গুলিবিদ্ধ হন। তার ডান হাতের কব্জির ওপর ও ডান বগলে গুলি লাগে। রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। একদিন পর তার মৃত্যু হয়।

গোপালগঞ্জের ওই সংঘর্ষে এর আগে আরও চারজন প্রাণ হারান। তারা হলেন—উদয়ন রোডের দীপ্ত সাহা (৩০), কোটালিপাড়ার রমজান কাজী (১৭), শানাপাড়ার সোহেল রানা (৩৫) এবং ভেড়ার বাজার এলাকার ইমন।

ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সুমন বিশ্বাস (৩০) ও আব্বাস আলী (৩০)।

জানা গেছে, এনসিপির পদযাত্রা ও সমাবেশ ঘিরে মঙ্গলবার থেকেই শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে কর্মসূচির সময় একাধিক দফায় সংঘর্ষ বাধে। আওয়ামী লীগ, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে এনসিপি নেতাকর্মীদের ত্রিমুখী সংঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো শহর। এতে অন্তত ৯ জন গুলিবিদ্ধসহ ৫০ জনের বেশি আহত হন।

সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনতে বুধবার রাত থেকে পুরো গোপালগঞ্জ শহরে কারফিউ জারি করা হয়, যা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়িয়ে শুক্রবার পর্যন্ত কার্যকর করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তবে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। শহরে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী এলাকা ছেড়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী

গোপালগঞ্জে সহিংসতায় মৃত্যু বেড়ে ৫

আপডেট সময়: ০৬:১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ অটোরিকশাচালক রমজান মুন্সী (৩২) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর ফলে এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।

নিহতের ভাই ইমরান মুন্সী জানান, বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে অটোরিকশা নিয়ে যাওয়ার সময় রমজান গুলিবিদ্ধ হন। তার ডান হাতের কব্জির ওপর ও ডান বগলে গুলি লাগে। রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। একদিন পর তার মৃত্যু হয়।

গোপালগঞ্জের ওই সংঘর্ষে এর আগে আরও চারজন প্রাণ হারান। তারা হলেন—উদয়ন রোডের দীপ্ত সাহা (৩০), কোটালিপাড়ার রমজান কাজী (১৭), শানাপাড়ার সোহেল রানা (৩৫) এবং ভেড়ার বাজার এলাকার ইমন।

ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সুমন বিশ্বাস (৩০) ও আব্বাস আলী (৩০)।

জানা গেছে, এনসিপির পদযাত্রা ও সমাবেশ ঘিরে মঙ্গলবার থেকেই শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে কর্মসূচির সময় একাধিক দফায় সংঘর্ষ বাধে। আওয়ামী লীগ, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে এনসিপি নেতাকর্মীদের ত্রিমুখী সংঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো শহর। এতে অন্তত ৯ জন গুলিবিদ্ধসহ ৫০ জনের বেশি আহত হন।

সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনতে বুধবার রাত থেকে পুরো গোপালগঞ্জ শহরে কারফিউ জারি করা হয়, যা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়িয়ে শুক্রবার পর্যন্ত কার্যকর করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তবে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। শহরে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী এলাকা ছেড়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।