আজ মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

অস্ট্রেলিয়াকে ২১২ রানে গুটিয়ে রেকর্ডবুকে রাবাদা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৫:০৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা এবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নেমে অবশ্য শুরুতে হোঁচট খেয়েছে। ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক লর্ডসে প্যাট কামিন্সের অজি শিবির প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে মাত্র ২১২ রানে। এমন বিপর্যস্ত ব্যাটিংয়ের বিপরীতে প্রোটিয়াদের মূল নায়ক কাগিসো রাবাদা। মাত্র দ্বিতীয় বোলার হিসেবে তিনি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ফাইফার তুলে নিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে কাগিসো রাবাদা শুরু করেছিলেন, শেষটাও তিনিই করলেন। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইনিংস ওপেন করা পেসার ফেলেছিলেন প্রথম উইকেটটি (উসমান খাজা, ২০ বলে ০), নিলেন শেষটিও। তাতে অস্ট্রেলিয়া থামল আড়াইশর আগেই।

প্রথম ইনিংসে ২১২ রানে অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্ককে শিকারের মাধ্যমে পাঁচ উইকেটের দেখা পাওয়া রাবাদার টেস্ট ক্যারিয়ারে এটা ১৭তম ফাইফার। আজকের ৫ উইকেট দিয়েই প্রোটিয়াদের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেটের হিসাবে অ্যালান ডোনাল্ডকে (৩৩০) পেছনে ফেলেছেন তিনি। রাবাদার শিকার ৩৩২। ৪৩৯ উইকেট নিয়ে সবার শীর্ষে ডেল স্টেইন, রাবাদার সামনে আর আছেন শন পোলক ও মাখায়া এনটিনি।

লর্ডসে মার্নাস লাবুশেন ও উসমান খাজার উদ্বোধনী জুটি নতুন বলের ধার কমিয়ে দাঁড়িয়েই যাচ্ছিল। স্কোর বোর্ডে ১২ রান উঠলেও দুজনে খেলে ফেলেছিলেন ৪০ বল। এরপরই প্রোটিয়াদের ত্রাতা হিসেবে আবির্ভুত হন রাবাদা, প্রথম স্লিপে আদায় করে নেন উদ্বোধনী উইকেট।

২০ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে না পারা খাজা ক্যাচ দেন ডেভিড বেডিংহ্যামকে। দ্বিতীয় উইকেটের জন্য রাবাদাকে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ওই ওভারেই তুলে নেন ক্যামেরন গ্রিনকে। গ্রিন ক্যাচ দেন স্লিপে দাঁড়ানো এইডেন মারক্রামকে। এরপর অস্ট্রেলিয়ার সেরা দুই টেস্ট ব্যাটার মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ খুঁটি গাড়ছিলেন। পরের ৬ ওভার নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দেন তারা। এবার অজিদের দুষমন হিসেবে দেখা দেন মার্কো ইয়ানসেন।

লাবুশেনকে উইকেটরক্ষক কাইলে ভেরাইনের গ্লাভসে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। ইয়ানসেন পরে নেন ট্রাভিস হেডের উইকেটও। আউট হয়ে যাওয়াদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৭ রান করেছিলেন লাবুশেন। দুই অঙ্ক ছোঁয়া হেড করেন ১১। তিনি আউট হওয়ার পরই দুদল লাঞ্চ বিরতিতে যায়।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে সবচেয়ে বড় জুটিটি হয় স্মিথ ও বো ওয়েবস্টারের মধ্যে। তারা পঞ্চম উইকেটে ৭৯ রান তোলার পর এইডেন মারক্রামের শিকার হন ৬৬ রান করা স্মিথ। এরপর আলেক্স ক্যারে ২৩ ও প্যাট কামিন্স ১ রান করে ওয়েবস্টারকে সঙ্গ দেন। ওয়েবস্টার ৯২ বলে ১১ চারে দলীয় সর্বোচ্চ ৭২ রান করে রাবাদার শিকার হলে ২১২ রানের বেশি যেতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। মার্কো ইয়ানসেন ৩, কেশভ মহারাজ ও এইডেন মারক্রাম একটি করে উইকেট পান।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়াকে ২১২ রানে গুটিয়ে রেকর্ডবুকে রাবাদা

আপডেট সময়: ০৫:০৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। গত আসরের চ্যাম্পিয়নরা এবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নেমে অবশ্য শুরুতে হোঁচট খেয়েছে। ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক লর্ডসে প্যাট কামিন্সের অজি শিবির প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে মাত্র ২১২ রানে। এমন বিপর্যস্ত ব্যাটিংয়ের বিপরীতে প্রোটিয়াদের মূল নায়ক কাগিসো রাবাদা। মাত্র দ্বিতীয় বোলার হিসেবে তিনি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ফাইফার তুলে নিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে কাগিসো রাবাদা শুরু করেছিলেন, শেষটাও তিনিই করলেন। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইনিংস ওপেন করা পেসার ফেলেছিলেন প্রথম উইকেটটি (উসমান খাজা, ২০ বলে ০), নিলেন শেষটিও। তাতে অস্ট্রেলিয়া থামল আড়াইশর আগেই।

প্রথম ইনিংসে ২১২ রানে অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্ককে শিকারের মাধ্যমে পাঁচ উইকেটের দেখা পাওয়া রাবাদার টেস্ট ক্যারিয়ারে এটা ১৭তম ফাইফার। আজকের ৫ উইকেট দিয়েই প্রোটিয়াদের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেটের হিসাবে অ্যালান ডোনাল্ডকে (৩৩০) পেছনে ফেলেছেন তিনি। রাবাদার শিকার ৩৩২। ৪৩৯ উইকেট নিয়ে সবার শীর্ষে ডেল স্টেইন, রাবাদার সামনে আর আছেন শন পোলক ও মাখায়া এনটিনি।

লর্ডসে মার্নাস লাবুশেন ও উসমান খাজার উদ্বোধনী জুটি নতুন বলের ধার কমিয়ে দাঁড়িয়েই যাচ্ছিল। স্কোর বোর্ডে ১২ রান উঠলেও দুজনে খেলে ফেলেছিলেন ৪০ বল। এরপরই প্রোটিয়াদের ত্রাতা হিসেবে আবির্ভুত হন রাবাদা, প্রথম স্লিপে আদায় করে নেন উদ্বোধনী উইকেট।

২০ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে না পারা খাজা ক্যাচ দেন ডেভিড বেডিংহ্যামকে। দ্বিতীয় উইকেটের জন্য রাবাদাকে খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ওই ওভারেই তুলে নেন ক্যামেরন গ্রিনকে। গ্রিন ক্যাচ দেন স্লিপে দাঁড়ানো এইডেন মারক্রামকে। এরপর অস্ট্রেলিয়ার সেরা দুই টেস্ট ব্যাটার মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ খুঁটি গাড়ছিলেন। পরের ৬ ওভার নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দেন তারা। এবার অজিদের দুষমন হিসেবে দেখা দেন মার্কো ইয়ানসেন।

লাবুশেনকে উইকেটরক্ষক কাইলে ভেরাইনের গ্লাভসে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। ইয়ানসেন পরে নেন ট্রাভিস হেডের উইকেটও। আউট হয়ে যাওয়াদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৭ রান করেছিলেন লাবুশেন। দুই অঙ্ক ছোঁয়া হেড করেন ১১। তিনি আউট হওয়ার পরই দুদল লাঞ্চ বিরতিতে যায়।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে সবচেয়ে বড় জুটিটি হয় স্মিথ ও বো ওয়েবস্টারের মধ্যে। তারা পঞ্চম উইকেটে ৭৯ রান তোলার পর এইডেন মারক্রামের শিকার হন ৬৬ রান করা স্মিথ। এরপর আলেক্স ক্যারে ২৩ ও প্যাট কামিন্স ১ রান করে ওয়েবস্টারকে সঙ্গ দেন। ওয়েবস্টার ৯২ বলে ১১ চারে দলীয় সর্বোচ্চ ৭২ রান করে রাবাদার শিকার হলে ২১২ রানের বেশি যেতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। মার্কো ইয়ানসেন ৩, কেশভ মহারাজ ও এইডেন মারক্রাম একটি করে উইকেট পান।