আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) মেনস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬’র গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্পষ্ট হয়ে গেছে ২০২৮ আসরের প্রথম ১২টি দল। সুপার এইটে ওঠা দলগুলোই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জায়গা করে নিয়েছে পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, যা অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে যৌথভাবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আইসিসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। একই দিনে নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের মধ্য দিয়ে সুপার এইটের লড়াই চূড়ান্ত রূপ পায়। গ্রুপ ‘এ’ থেকে পাকিস্তান ও ভারত, গ্রুপ ‘বি’ থেকে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে, গ্রুপ ‘সি’ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড এবং গ্রুপ ‘ডি’ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড সুপার এইটে জায়গা করে নেয়। এই আট দলই সরাসরি ২০২৮ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে।
আগামী আসরের সহ-আয়োজক হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড আগেই নিশ্চিত ছিল। ফলে আয়োজক দুই দেশসহ সুপার এইটের আট দল মিলিয়ে মোট ১০টি দল ইতোমধ্যে চূড়ান্ত। বাকি তিনটি স্বয়ংক্রিয় স্থান নির্ধারিত হবে আইসিসি মেনস টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক (টি-টোয়েন্টি) দলীয় র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। ৯ মার্চ, ফাইনালের পরদিন প্রকাশিত র্যাঙ্কিং অনুযায়ী এই তিন দল নিশ্চিত হবে। বর্তমান অবস্থান বিবেচনায় বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড এগিয়ে রয়েছে এবং তাদের অবস্থান বদলে যাওয়ার মতো আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ সূচিতে নেই। ২০ দলীয় টুর্নামেন্টের অবশিষ্ট আটটি জায়গা নির্ধারিত হবে আঞ্চলিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে। প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিযোগিতামূলক মান ও শক্তির ওপর ভিত্তি করেই আসন বণ্টন করা হবে।
বাংলাদেশের জন্য খবরটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। চলমান ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও র্যাঙ্কিংয়ের সুবাদে ২০২৮ আসরে সরাসরি খেলার সুযোগ পাচ্ছে টাইগাররা। অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের নেতৃত্বাধীন দলটি এভাবেই বিশ্বমঞ্চে ফেরার আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা পেল। সব মিলিয়ে, ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে দলগুলোর প্রাথমিক চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। সুপার এইটের সাফল্য যেমন বড় অর্জন, তেমনি র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের নিশ্চিত অংশগ্রহণ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য স্বস্তি ও আশার বার্তা হয়ে এসেছে।
রিপোর্টার 






















