আজ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

নির্বাহী কর্মকর্তাকে অমান্য করে শিক্ষক সমিতি চালিয়ে যাচ্ছে নিষিদ্ধ পাঞ্জারী গাইড ও নোট বই

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

শেখ হাসান গফুর, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড অন্তর্ভুক্ত করেন। আশাশুনি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কুনদুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ আরিফুল ইসলাম। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিগত ১৩ই জানুয়ারী স্মারক নম্বর ৭৫ ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস আশাশুনি স্মারক নম্বর উমাশিঅ ২০২৫ পাবলিক ২৪, তারিখ : ৯-২-২০২৫। গেল ২৪ শে ফেব্রুয়ারি উপজেলা ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড ও পাঠ্যসুচি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক স্কুলে নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড ও সে অনুযায়ী পাঠ্যসূচি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রত্যেক প্রধান শিক্ষকের মার্কার কলম দিয়ে পাঞ্জেরী গাইড কেনার জন্য হোয়াইট বোর্ডে লিখে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আরএ কাজটি করেছে আশাশুনি উপজেলার মাধ্যমে শিক্ষক সমিতির সভাপতি কুন্দুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ আরিফুল ইসলাম । তার সহযোগী একই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির পেটুক শাহের মাজার হিসাবে পরিচিত উপজেলার কাটাখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিমল কুমার দাস। উল্লেখ্য যে রামনগর দুর্গাপুর কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিপরীতে যেতে অসম্মতি জ্ঞাপন করলে তাকে বিভিন্ন প্রকার হয়রানি মূলক কথা বলেন এবং সমিতির সদস্যপদ বাতিলের কথা বলেন। আশাশুনি শিক্ষক সমিতির সভাপতির এই ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকগণ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। আসলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা শরাপপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জনাব গোলাম কিবরিয়াকে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জন্য এবং নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড যাতে কোন কোনভাবে কোমলমতিরা ব্যবহার না করে এবং বাজার যাত না হযয় আর পরিপ্রেক্ষিতে আশশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার একটি পত্র পাঠান সে পত্রটির নিম্নরূপ । আশাশুনি উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক পাঞ্জেরী পাবলিকেশন এর ব্যাকরণ গ্রামার সহ নোট গাইড বই নিষিদ্ধ মর্মে এক পরিপত্র জারি করেন। উক্ত পরিপত্র জারি হওয়ার পরও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলা ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশাশুনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি সভাপতি জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম সহ, পরিমল কুমার দাস অরুন কুমার গাইন মোহাম্মদ বদিউজ্জামান খান উদ্যোগ নিয়ে উপজেলা ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৫ -২-২৫ তারিখে আশা শুনে উপজেলার ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পাঞ্জাবি নোট গাইড বই ও পাঠ্যসূচি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে সব অসাধু শিক্ষক সমিতি নেতাদের দিয়ে । উল্লেখ্য যে,এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কুন্ডুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যায় শিক্ষকদের বলে দেন হোয়াইট কলম ও মার্কার বোর্ডে লিখে দেয়ার কথা। বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষকরা সে অনুযায়ী কাজ করেন বলে গভীর অনুসন্ধানে জানা গেছে। আশাশুনি উপজেলা সচেতন নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয় যেন বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম পরিমল কুমার দাস অরুন কুমার গাইন ও মোহাম্মদ বদিউজ্জামান খান এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানাচ্ছে সচেতন মহলও সাধারণ জনগণ । তবে এসব বিষয় আশাশুনি শিক্ষক সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ আরিফুল ইসলামের সাথে বিষয়ে কথা বললে, তিনি পাঞ্জেরী গাইড পাবলিকেশন কোম্পানির নিকট থেকে মোটা অংকের অর্থ নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। এসব বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য আশাশুনি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এর কাছে জানতে চাইলে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেন।সর্বশেষ সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব আবুল খায়ের এর কাছে বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোন কিছু খবর রাখি না, তবে এসব বিষয় কড়াকড়ি ভাবে নিষেধাজ্ঞা করা আছে, যদি কেউ নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড কোমল মতিদের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করে তবে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইন আনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সর্বশেষ পাঞ্জাবি গাইড কোম্পানির প্রতিনিধি এর সাথে কথা বললে কি নিয়ে প্রতিবেদককে জানান, ভাই আপনি যে আমাউন্টের কথা বলেছেন এটা সঠিক নয়, তবে ব্যবসার ক্ষেত্রে আমরা ব্যবসা করতে নেমেছি আমরা গাইড বিক্রি করব চেষ্টা করব সর্বোচ্চভাবে আমার ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য। এ বিষয়ে আশাশুনি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতিয়ার রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে, প্রথমে তিনি বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরে প্রতিবেদককে বলেন, আশাশুনি ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রত্যেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পাঞ্জেরী কোম্পানির কোন গাইড ক্রয় করবেনা। এরপর কিভাবে পাঞ্জাবি গাইড আসনে উপজেলা বিক্রি হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, আমি শুনেছি আশাশুনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিত নতুন করে একটা চিঠি দিয়েছে ছবিতে সভাপতি তন্দুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম কাটাখালি গাবতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জনা পরিমল কুমার দাস এদের যোগ সাজস্যে আবার বহাল তবিয়তে সাতক্ষীরা সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনিয়া উপজেলার ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষকদেরকে পাঞ্জাবি গাইড কেনার জন্য নতুন করে চিঠি দেয়া হয়েছে এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে লিখে দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি আমি জেলা প্রশাসক মহোদয় কে অবহিত করব বলে প্রতি পদক্ষে জানান। সর্বশেষ পাঞ্জারী গাইড বিক্রির বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ আবুল খায়েরের সাথে কথা বললে তিনি প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এমনও সন্ধান পাওয়া গেছে তিনি এক শিক্ষক নেতার আত্মীয় সেই সুবাদে বল খাটিয়ে আশাশুনি উপজেলার ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় দিদারছে চালিয়ে যাচ্ছে পাঞ্জাবি গাইড।এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদনকে বলেন, আমি যতদূর জানি আশাশুনি সহ সাতক্ষীরা জেলার সকল প্রান্তে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল পাঞ্জেরী গাইড কে । কিন্তু শিক্ষক সমিতির শিক্ষক নেতাদের দ্বারা গোপনে গোপনে আবার পাঞ্জাবি গাইড বিক্রেতার ব্যাপারে কোন কথা হয়েছে কিনা আমি জানিনা। বিষয়টি আমি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মহোদটি কে অবশ্যই জানাবো বলে এই প্রতিবেদককে তিনি জানিয়েছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাহী কর্মকর্তাকে অমান্য করে শিক্ষক সমিতি চালিয়ে যাচ্ছে নিষিদ্ধ পাঞ্জারী গাইড ও নোট বই

আপডেট সময়: ০৩:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

শেখ হাসান গফুর, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড অন্তর্ভুক্ত করেন। আশাশুনি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কুনদুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ আরিফুল ইসলাম। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিগত ১৩ই জানুয়ারী স্মারক নম্বর ৭৫ ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস আশাশুনি স্মারক নম্বর উমাশিঅ ২০২৫ পাবলিক ২৪, তারিখ : ৯-২-২০২৫। গেল ২৪ শে ফেব্রুয়ারি উপজেলা ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড ও পাঠ্যসুচি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক স্কুলে নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড ও সে অনুযায়ী পাঠ্যসূচি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রত্যেক প্রধান শিক্ষকের মার্কার কলম দিয়ে পাঞ্জেরী গাইড কেনার জন্য হোয়াইট বোর্ডে লিখে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আরএ কাজটি করেছে আশাশুনি উপজেলার মাধ্যমে শিক্ষক সমিতির সভাপতি কুন্দুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ আরিফুল ইসলাম । তার সহযোগী একই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির পেটুক শাহের মাজার হিসাবে পরিচিত উপজেলার কাটাখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিমল কুমার দাস। উল্লেখ্য যে রামনগর দুর্গাপুর কলেজিয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিপরীতে যেতে অসম্মতি জ্ঞাপন করলে তাকে বিভিন্ন প্রকার হয়রানি মূলক কথা বলেন এবং সমিতির সদস্যপদ বাতিলের কথা বলেন। আশাশুনি শিক্ষক সমিতির সভাপতির এই ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকগণ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। আসলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা শরাপপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জনাব গোলাম কিবরিয়াকে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জন্য এবং নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড যাতে কোন কোনভাবে কোমলমতিরা ব্যবহার না করে এবং বাজার যাত না হযয় আর পরিপ্রেক্ষিতে আশশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার একটি পত্র পাঠান সে পত্রটির নিম্নরূপ । আশাশুনি উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক পাঞ্জেরী পাবলিকেশন এর ব্যাকরণ গ্রামার সহ নোট গাইড বই নিষিদ্ধ মর্মে এক পরিপত্র জারি করেন। উক্ত পরিপত্র জারি হওয়ার পরও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলা ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশাশুনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি সভাপতি জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম সহ, পরিমল কুমার দাস অরুন কুমার গাইন মোহাম্মদ বদিউজ্জামান খান উদ্যোগ নিয়ে উপজেলা ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৫ -২-২৫ তারিখে আশা শুনে উপজেলার ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পাঞ্জাবি নোট গাইড বই ও পাঠ্যসূচি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে সব অসাধু শিক্ষক সমিতি নেতাদের দিয়ে । উল্লেখ্য যে,এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কুন্ডুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যায় শিক্ষকদের বলে দেন হোয়াইট কলম ও মার্কার বোর্ডে লিখে দেয়ার কথা। বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষকরা সে অনুযায়ী কাজ করেন বলে গভীর অনুসন্ধানে জানা গেছে। আশাশুনি উপজেলা সচেতন নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয় যেন বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম পরিমল কুমার দাস অরুন কুমার গাইন ও মোহাম্মদ বদিউজ্জামান খান এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানাচ্ছে সচেতন মহলও সাধারণ জনগণ । তবে এসব বিষয় আশাশুনি শিক্ষক সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ আরিফুল ইসলামের সাথে বিষয়ে কথা বললে, তিনি পাঞ্জেরী গাইড পাবলিকেশন কোম্পানির নিকট থেকে মোটা অংকের অর্থ নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। এসব বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য আশাশুনি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এর কাছে জানতে চাইলে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেন।সর্বশেষ সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব আবুল খায়ের এর কাছে বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোন কিছু খবর রাখি না, তবে এসব বিষয় কড়াকড়ি ভাবে নিষেধাজ্ঞা করা আছে, যদি কেউ নিষিদ্ধ পাঞ্জেরী গাইড কোমল মতিদের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করে তবে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইন আনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সর্বশেষ পাঞ্জাবি গাইড কোম্পানির প্রতিনিধি এর সাথে কথা বললে কি নিয়ে প্রতিবেদককে জানান, ভাই আপনি যে আমাউন্টের কথা বলেছেন এটা সঠিক নয়, তবে ব্যবসার ক্ষেত্রে আমরা ব্যবসা করতে নেমেছি আমরা গাইড বিক্রি করব চেষ্টা করব সর্বোচ্চভাবে আমার ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য। এ বিষয়ে আশাশুনি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতিয়ার রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে, প্রথমে তিনি বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তারপরে প্রতিবেদককে বলেন, আশাশুনি ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রত্যেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পাঞ্জেরী কোম্পানির কোন গাইড ক্রয় করবেনা। এরপর কিভাবে পাঞ্জাবি গাইড আসনে উপজেলা বিক্রি হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, আমি শুনেছি আশাশুনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিত নতুন করে একটা চিঠি দিয়েছে ছবিতে সভাপতি তন্দুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম কাটাখালি গাবতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জনা পরিমল কুমার দাস এদের যোগ সাজস্যে আবার বহাল তবিয়তে সাতক্ষীরা সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনিয়া উপজেলার ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষকদেরকে পাঞ্জাবি গাইড কেনার জন্য নতুন করে চিঠি দেয়া হয়েছে এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে লিখে দেওয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি আমি জেলা প্রশাসক মহোদয় কে অবহিত করব বলে প্রতি পদক্ষে জানান। সর্বশেষ পাঞ্জারী গাইড বিক্রির বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ আবুল খায়েরের সাথে কথা বললে তিনি প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এমনও সন্ধান পাওয়া গেছে তিনি এক শিক্ষক নেতার আত্মীয় সেই সুবাদে বল খাটিয়ে আশাশুনি উপজেলার ৪৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় দিদারছে চালিয়ে যাচ্ছে পাঞ্জাবি গাইড।এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদনকে বলেন, আমি যতদূর জানি আশাশুনি সহ সাতক্ষীরা জেলার সকল প্রান্তে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল পাঞ্জেরী গাইড কে । কিন্তু শিক্ষক সমিতির শিক্ষক নেতাদের দ্বারা গোপনে গোপনে আবার পাঞ্জাবি গাইড বিক্রেতার ব্যাপারে কোন কথা হয়েছে কিনা আমি জানিনা। বিষয়টি আমি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মহোদটি কে অবশ্যই জানাবো বলে এই প্রতিবেদককে তিনি জানিয়েছেন।