সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে নগদ টাকা, অলঙ্কার ও মোবাইল ফোন লুটের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার গভীর রাতে ইউনিয়নের জাহানাবাজ মাদ্রাসা-সংলগ্ন এলাকায় মানিক সরদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকালে বাড়ি থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা খোঁজ নিতে যান। পরে তাঁরা ঘরের ভেতরে পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ঘরের একটি জানালা ভাঙা এবং আসবাবপত্র, শোকেস ও ওয়ারড্রবসহ বিভিন্ন মালামাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়।
প্রতিবেশীরা অচেতন অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ভুক্তভোগী মানিক সরদার জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার শেষে আনুমানিক রাত ১১টার দিকে ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর তাঁদের আর কিছু মনে নেই। সকালে প্রতিবেশীরা তাঁদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
মানিক সরদারের দাবি, চোরেরা জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে নগদ ২০ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন ও রূপার অলঙ্কারসহ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে গেছে। মানিক সরদার বলেন, “অনেক কষ্ট ও পরিশ্রমের টাকা দিয়ে এনজিওর কিস্তি ও ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য জমিয়ে রেখেছিলাম। চোরেরা আমার সব শেষ করে দিয়ে গেল। এখন পরিবার নিয়ে নিঃস্ব।” এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এলাকায় রাতে পুলিশি টহল বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আজকের বাণী 





















