আজ মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শ্যামনগরে ব্রি-৯৯ ধান কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১০:২১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা-এ লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-৯৯ ধান কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহনশীল ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে এ আয়োজন করা হয়। রোববার রমজাননগর ইউনিয়নের মানিকখালি গ্রামে লিডার্স-এর প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুস সালাম। প্রধান অতিথি ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শোভা রানী মন্ডল, ২৩ নম্বর মানিকখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ছাড়া ইউনিয়ন পুষ্টি কমিটির নারী সদস্য আসমা বেগম এবং যুব জলবায়ু ন্যায্যতা গ্রুপের সভাপতি বিপ্লবজিত মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন। মাঠ দিবসে লবণাক্ততা ও খরা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি, পানি সাশ্রয়ী চাষাবাদ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি কমলা সুন্দরী মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুণ ও সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। কৃষাণী শ্যামলী রানী যোদ্দার মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, লবণাক্ততা বাড়লেও ব্রি-৯৯ ধান উপকূলীয় কৃষকের জন্য আশার আলো। শেফালী রানী জিঙ্ক সমৃদ্ধ ব্রি-১০২ ধান নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। সবজি চাষ, জৈব সার ব্যবহার, পারিবারিক পুষ্টি বাগান ও পরিবেশবান্ধব কৃষি বিষয়ে বক্তব্য দেন নুর আলম। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে জৈব কৃষি, পানি সংরক্ষণ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি। প্রধান অতিথি নুরুজ্জামান বলেন, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা ও খরা বাড়ছে। এ অবস্থায় লবণসহনশীল ধানসহ বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি পানি সাশ্রয়ী চাষাবাদ পদ্ধতি ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রি-৯৯ ধান কর্তনের উদ্বোধন করেন এবং কৃষকদের দিকনির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. কানিজুর রহমান। সার্বিক সহযোগিতা করেন অনুপ কুমার মণ্ডল, লিডার্স প্রকল্প।
আয়োজকরা জানান, কৃষক-কৃষাণীদের অংশগ্রহণ উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল ও আধুনিক কৃষি বিস্তারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কর্মসূচিতে সহযোগিতায় ছিল জিএআইএন এবং বাস্তবায়নে ছিল লিডার্স।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে ‘জাতীয় কর্মশালা’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শ্যামনগরে ব্রি-৯৯ ধান কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস

আপডেট সময়: ১০:২১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা-এ লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-৯৯ ধান কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহনশীল ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে এ আয়োজন করা হয়। রোববার রমজাননগর ইউনিয়নের মানিকখালি গ্রামে লিডার্স-এর প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুস সালাম। প্রধান অতিথি ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শোভা রানী মন্ডল, ২৩ নম্বর মানিকখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ছাড়া ইউনিয়ন পুষ্টি কমিটির নারী সদস্য আসমা বেগম এবং যুব জলবায়ু ন্যায্যতা গ্রুপের সভাপতি বিপ্লবজিত মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন। মাঠ দিবসে লবণাক্ততা ও খরা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি, পানি সাশ্রয়ী চাষাবাদ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি কমলা সুন্দরী মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুণ ও সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। কৃষাণী শ্যামলী রানী যোদ্দার মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, লবণাক্ততা বাড়লেও ব্রি-৯৯ ধান উপকূলীয় কৃষকের জন্য আশার আলো। শেফালী রানী জিঙ্ক সমৃদ্ধ ব্রি-১০২ ধান নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। সবজি চাষ, জৈব সার ব্যবহার, পারিবারিক পুষ্টি বাগান ও পরিবেশবান্ধব কৃষি বিষয়ে বক্তব্য দেন নুর আলম। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে জৈব কৃষি, পানি সংরক্ষণ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি। প্রধান অতিথি নুরুজ্জামান বলেন, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা ও খরা বাড়ছে। এ অবস্থায় লবণসহনশীল ধানসহ বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি পানি সাশ্রয়ী চাষাবাদ পদ্ধতি ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রি-৯৯ ধান কর্তনের উদ্বোধন করেন এবং কৃষকদের দিকনির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. কানিজুর রহমান। সার্বিক সহযোগিতা করেন অনুপ কুমার মণ্ডল, লিডার্স প্রকল্প।
আয়োজকরা জানান, কৃষক-কৃষাণীদের অংশগ্রহণ উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল ও আধুনিক কৃষি বিস্তারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কর্মসূচিতে সহযোগিতায় ছিল জিএআইএন এবং বাস্তবায়নে ছিল লিডার্স।