আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo কারিনা কায়সারের লিভার ডোনার দুই ভাই Logo জরুরি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ স্কোয়াডে পরিবর্তন Logo “হ্যানিম্যানের চিকিৎসা দর্শন আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত” — ইজ্জত উল্লাহ এমপি Logo আগরদাঁড়ি ইউনিয়নে তিন মরহুমের একসঙ্গে জানাজা, শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায় Logo পশুর হাটে নিরাপত্তা জোরদার: সাতক্ষীরায় আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo কলারোয়ায় তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক কর্মশালা Logo ডেভিড স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ব্লিস হসপিটাল চ্যাম্পিয়ন Logo সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন Logo সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘রিসোর্স পুল’ গঠনের নির্দেশ Logo আগের চেয়ে সুস্থ মির্জা আব্বাস, ঈদের আগে দেশে ফেরার আশা পরিবারের
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৯:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে এক মৌয়াল ও এক জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল থেকে বনদস্যু আলিফ বাহিনীর সদস্যরা তাদের অপহরণ করে বলে দাবি করেছেন তাদের অন্য সহকর্মীরা। অপহৃতরা হলেন- সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৃত শেখ আব্দুর রহমানের ছেলে মৌয়াল আব্দুল করিম (৪৮) এবং একই এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে জেলে ইসমাইল হোসেন (২৮)। ফিরে আসা জেলে আব্দুল আলিম ও শামীম হোসেন জানান, বনদস্যু আলিফ বাহিনীর পরিচয়ে অস্ত্রের মুখে করিম ও ইসমাইলকে জিম্মি করে গভীর বনের দিকে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরে ইসমাইলকে মুক্তি দিতে হলে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তবে আব্দুল করিমের বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি অপহরণকারীরা। জানা গেছে, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল পৃথক দুটি নৌকায় বনজীবীরা নিজ নিজ দলের সদস্যদের নিয়ে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন কদমতলা স্টেশন থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তারা মধু আহরণ ও মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, কোনো বনজীবীকে অপহরণের বিষয়ে তাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়া হবে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, সাধারণত জিম্মি বনজীবীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাদের স্বজনরা প্রশাসনকে কিছুই জানায় না। তবে ভুক্তভোগীর স্বজন বা মহাজনদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

কারিনা কায়সারের লিভার ডোনার দুই ভাই

সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত

আপডেট সময়: ০৯:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে এক মৌয়াল ও এক জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল থেকে বনদস্যু আলিফ বাহিনীর সদস্যরা তাদের অপহরণ করে বলে দাবি করেছেন তাদের অন্য সহকর্মীরা। অপহৃতরা হলেন- সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৃত শেখ আব্দুর রহমানের ছেলে মৌয়াল আব্দুল করিম (৪৮) এবং একই এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে জেলে ইসমাইল হোসেন (২৮)। ফিরে আসা জেলে আব্দুল আলিম ও শামীম হোসেন জানান, বনদস্যু আলিফ বাহিনীর পরিচয়ে অস্ত্রের মুখে করিম ও ইসমাইলকে জিম্মি করে গভীর বনের দিকে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরে ইসমাইলকে মুক্তি দিতে হলে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তবে আব্দুল করিমের বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি অপহরণকারীরা। জানা গেছে, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল পৃথক দুটি নৌকায় বনজীবীরা নিজ নিজ দলের সদস্যদের নিয়ে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন কদমতলা স্টেশন থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তারা মধু আহরণ ও মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, কোনো বনজীবীকে অপহরণের বিষয়ে তাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়া হবে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, সাধারণত জিম্মি বনজীবীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাদের স্বজনরা প্রশাসনকে কিছুই জানায় না। তবে ভুক্তভোগীর স্বজন বা মহাজনদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।