আজ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাবেক এমপি কাজী শামসুর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৯:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: দক্ষিণবঙ্গের উন্নয়নের রূপকার, ইসলামি চিন্তাবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শামসুর রহমানের আজ সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই উপলক্ষে মরহুমের কবর জিয়ারত ও দোয়া করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ও স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ। কাজী শামসুর রহমান ১৯৩৭ সালের ১ জানুয়ারি সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ থেকে এমএড ডিগ্রি অর্জন করেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সাতক্ষীরা সদর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সংসদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য, হিসাব কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে সাতক্ষীরায় আড়াইশ’ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ, সমুদ্রপথে হজ্ব ব্যবস্থাপনা, সাতক্ষীরা আলিয়া মাদরাসার সরকারীকরণ, সেনা-পুলিশে নামাজের সময় নির্দিষ্টকরণ, প্রত্যন্ত অঞ্চলে পল্লীবিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এছাড়া মহিলাদের পোস্টমর্টেমে মহিলা ডাক্তার নিয়োগ, কালিগঞ্জ ও আশাশুনি ব্রিজ নির্মাণ এবং নাভারন থেকে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টে হাইওয়ে নির্মাণের প্রস্তাবও তিনি সংসদে পেশ করেছিলেন।

মরহুমের স্মৃতিতে আজ সাতক্ষীরা জেলা সমিতি, বৃহত্তর খুলনা সমিতি, সাতক্ষীরা জামায়াতসহ পরিবারের পক্ষ থেকে মিলাদ মাহফিল, কুরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। একটি প্রসিদ্ধ ঘটনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় বারের জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতিপক্ষরা তার বাড়িতে আগুন দিতে চেষ্টা করলেও, কাজী শামসুর রহমান রাতে কুরআন তেলাওয়াত করায় আগুন লাগাতে পারেনি। পরে প্রতিপক্ষরা তার কাছে ক্ষমা চায় এবং তিনি নিঃশর্তভাবে তাদের ক্ষমা করে দেন। এভাবেই সাতক্ষীরার মানুষের কাছে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।

উপসংহারে বলা যায়, কাজী শামসুর রহমান শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নয়, তিনি ছিলেন সমাজসেবক, শিক্ষা ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। আল্লাহ তার আত্মার মাগফিরাত করুন। আমীন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক এমপি কাজী শামসুর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময়: ০৯:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: দক্ষিণবঙ্গের উন্নয়নের রূপকার, ইসলামি চিন্তাবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শামসুর রহমানের আজ সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই উপলক্ষে মরহুমের কবর জিয়ারত ও দোয়া করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ও স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ। কাজী শামসুর রহমান ১৯৩৭ সালের ১ জানুয়ারি সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ থেকে এমএড ডিগ্রি অর্জন করেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সাতক্ষীরা সদর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সংসদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য, হিসাব কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে সাতক্ষীরায় আড়াইশ’ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ, সমুদ্রপথে হজ্ব ব্যবস্থাপনা, সাতক্ষীরা আলিয়া মাদরাসার সরকারীকরণ, সেনা-পুলিশে নামাজের সময় নির্দিষ্টকরণ, প্রত্যন্ত অঞ্চলে পল্লীবিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এছাড়া মহিলাদের পোস্টমর্টেমে মহিলা ডাক্তার নিয়োগ, কালিগঞ্জ ও আশাশুনি ব্রিজ নির্মাণ এবং নাভারন থেকে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টে হাইওয়ে নির্মাণের প্রস্তাবও তিনি সংসদে পেশ করেছিলেন।

মরহুমের স্মৃতিতে আজ সাতক্ষীরা জেলা সমিতি, বৃহত্তর খুলনা সমিতি, সাতক্ষীরা জামায়াতসহ পরিবারের পক্ষ থেকে মিলাদ মাহফিল, কুরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। একটি প্রসিদ্ধ ঘটনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় বারের জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতিপক্ষরা তার বাড়িতে আগুন দিতে চেষ্টা করলেও, কাজী শামসুর রহমান রাতে কুরআন তেলাওয়াত করায় আগুন লাগাতে পারেনি। পরে প্রতিপক্ষরা তার কাছে ক্ষমা চায় এবং তিনি নিঃশর্তভাবে তাদের ক্ষমা করে দেন। এভাবেই সাতক্ষীরার মানুষের কাছে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।

উপসংহারে বলা যায়, কাজী শামসুর রহমান শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নয়, তিনি ছিলেন সমাজসেবক, শিক্ষা ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। আল্লাহ তার আত্মার মাগফিরাত করুন। আমীন।