সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ তেতুলিয়া-টিকা সড়কের টিকারামচন্দ্রপুর-কোদালশাহ স্লুইস গেট এলাকায় সড়কের একাংশে ধস নেমেছে। এতে স্লুইস গেটের বাঁশের পাইলিং ও বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ভেঙে কাদাকাটি ও পার্শ্ববর্তী দরগাহপুর ইউনিয়নের ১০-১২টি গ্রামে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকলে হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি, বসতভিটা ও মৎস্যঘের প্লাবিত হতে পারে। এতে বিপুল পরিমাণ সম্পদ ও মৎস্যসম্পদের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে জোয়ারের পানি বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্লুইস গেটের বাঁশের পাইলিংয়ের কিছু অংশ ভেঙে গেছে। একই সঙ্গে সড়কের একাংশ ধসে নিচে চলে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেও মোটরসাইকেল, মোটরভ্যান, ইঞ্জিনভ্যান, ইজিবাইক, ব্যক্তিগত গাড়ি ও সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। এতে সড়কটির আরও অংশ ধসে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্লুইস গেট ও সড়কের এমন নাজুক অবস্থায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচলের পাশাপাশি বাঁধ ভেঙে গেলে ঘরবাড়ি ও মৎস্যঘের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী।
স্থানীয় শিক্ষক মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “স্লুইস গেটের পাইলিং ও সড়কের অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ। দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বাঁধ ছুটে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে। এতে মানুষের জানমাল ও মৎস্যসম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।” শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, “এটি শুধু একটি সড়কের সমস্যা নয়, এর সঙ্গে কয়েকটি গ্রামের মানুষের নিরাপত্তা ও সম্পদ জড়িত। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।” এলাকাবাসী দ্রুত স্লুইস গেট ও সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার, বাঁশের পাইলিং শক্তিশালীকরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সম্ভাব্য প্লাবন ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
আজকের বাণী 




























