আজ সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

প্রধান শিক্ষক সংকটে ব্যাহত পাঠদান, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে সহকারী শিক্ষকরা

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

উপকূলীয় জনপদ খুলনার কয়রা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। উপজেলার ১৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮৩টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক। এতে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে।

কয়রা উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫৯টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কর্মরত থাকলেও ৮৩টি বিদ্যালয় চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। এ ছাড়া অনুমোদিত ৭৩২টি সহকারী শিক্ষকের পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৭১১ জন। শূন্য রয়েছে ২১টি পদ। বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকরা। তাদের একদিকে পাঠদান, অন্যদিকে দাপ্তরিক কাজ ও প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি, অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া নতুন জাতীয়করণকৃত ১৯টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পদ পাওয়ার দাবিতে আদালতে মামলা করায় সেসব বিদ্যালয়ে নিয়োগ বা পদায়ন প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। কয়রা উপজেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার ১৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮৩টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহিদুল আলম বলেন, শিক্ষক নিয়োগ ও শূন্য পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত হাইকোর্টে চলমান মামলাটি ইতোমধ্যে খারিজ হয়েছে। নতুন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে খুলনার কয়রাসহ অন্যান্য উপজেলার শূন্য পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

প্রধান শিক্ষক সংকটে ব্যাহত পাঠদান, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে সহকারী শিক্ষকরা

আপডেট সময়: ১১:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

উপকূলীয় জনপদ খুলনার কয়রা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। উপজেলার ১৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮৩টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক। এতে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে।

কয়রা উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৫৯টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কর্মরত থাকলেও ৮৩টি বিদ্যালয় চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। এ ছাড়া অনুমোদিত ৭৩২টি সহকারী শিক্ষকের পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৭১১ জন। শূন্য রয়েছে ২১টি পদ। বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকরা। তাদের একদিকে পাঠদান, অন্যদিকে দাপ্তরিক কাজ ও প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি, অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া নতুন জাতীয়করণকৃত ১৯টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পদ পাওয়ার দাবিতে আদালতে মামলা করায় সেসব বিদ্যালয়ে নিয়োগ বা পদায়ন প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। কয়রা উপজেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার ১৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮৩টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহিদুল আলম বলেন, শিক্ষক নিয়োগ ও শূন্য পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত হাইকোর্টে চলমান মামলাটি ইতোমধ্যে খারিজ হয়েছে। নতুন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে খুলনার কয়রাসহ অন্যান্য উপজেলার শূন্য পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।