আজ মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ Logo সাতক্ষীরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সভাপতি টিটু, সম্পাদক মামুন Logo সাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে ‘ভয়েস টু ভেঞ্চার ব্রিজ’ Logo তায়কোয়ানডোতে সাতক্ষীরার চার খেলোয়াড়ের চার পদক Logo দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ Logo দেবহাটায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত Logo সাতক্ষীরায় বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন করলেন শহিদুল ইসলাম মুকুল Logo রাজধানীর বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে’ Logo ২৮তম জাতীয় লিগের পর্দা উঠল, দীর্ঘ বিরতির পর খুলনায় ফিরল ক্রিকেটের প্রাণচাঞ্চল্য
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

খুলনায় জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৯:৩০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ওও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেছেন, নিহত ও আহতদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এবং তাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি আহত ও শহীদদের পরিবারের পাশে থাকার এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং আহত ও শহীদদের পরিবারের রাষ্ট্রীয় অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত ‘জুলাই সনদ’ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করার আহবান জানান। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে নগরীর আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।
খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলমের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন এমপি, সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, মহানগরী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহারুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানা সেক্রেটারি ও ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মাওলানা জাহিদুর রহমান নাঈম, জুলাই যোদ্ধা এস এ মুকুল, জুলাই যোদ্ধা শহীদুল ইসলাম উজ্জল, জুলাই যোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা নূরুজ্জামান নাবিল, জুলাই যোদ্ধা হুজাইফা শেখ, জুলাই যোদ্ধা মুবাশ্বির হোসেন, জুলাই যোদ্ধা রিদওয়ান, জুলাই যোদ্ধা আলতাফ মাহমুদ, জুলাই যোদ্ধা রিয়াজুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা হজরত আলী, জুলাই যোদ্ধা ইয়াছিন আরাফাত, জুলাই যোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল শাফিল, জুলাই যোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল মুয়াজ, জুলাই যোদ্ধা নাঈম শিকদার, জুলাই যোদ্ধা জাহিন হাওলাদার, জুলাই যোদ্ধা আহমাদ আব্দুল্লাহ। এ সময় নেতৃবৃন্দ তাদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। মতবিনিময় সভা শেষে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
মহানগরী আমীর আরও বলেন, যারা চোখ, পা কিংবা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। শহীদদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক উঁচুতে। তাই সরকার পাশে না থাকলেও জামায়াতে ইসলামী শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে এবং এই সম্পর্ক কোনো ভোট বা ক্ষমতার জন্য নয় বরং দায়িত্ববোধ থেকে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে অস্বীকৃতি দেখা যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হোক। কিন্তু বর্তমান সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায়  নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। তারা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও, জনগণ যে লক্ষ্য সামনে রেখে গণভোটে রায় দিয়েছে এবং জুলাই আন্দোলনের যে মৌলিক সংস্কারের দাবি ছিল, তার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে বাকিগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে চলতে থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গুম-খুনের বিচার এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। বৈষম্যের যেসব দিক নিয়ে আমরা কথা বলেছি, সেগুলোর বাস্তবায়ন না হওয়ায় মানুষ এখন বিষয়টি উপলব্ধি করতে শুরু করেছে। আগামী দিনে জাতি যদি জুলাই সনদ এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে এগিয়ে না আসে, তাহলে প্রয়োজন হলে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।’
এ সময় জুলাই যোদ্ধা হুজাইফা শেখ বলেন, “আমরা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে জুলাই আন্দোলনে অংশ নিইনি। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম, সেই প্রত্যাশা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং তাদের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।’ তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খুলনাসহ সারা দেশে জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ

খুলনায় জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময়

আপডেট সময়: ০৯:৩০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ওও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেছেন, নিহত ও আহতদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এবং তাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি আহত ও শহীদদের পরিবারের পাশে থাকার এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং আহত ও শহীদদের পরিবারের রাষ্ট্রীয় অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত ‘জুলাই সনদ’ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করার আহবান জানান। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে নগরীর আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।
খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলমের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন এমপি, সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, মহানগরী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শাহারুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানা সেক্রেটারি ও ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মাওলানা জাহিদুর রহমান নাঈম, জুলাই যোদ্ধা এস এ মুকুল, জুলাই যোদ্ধা শহীদুল ইসলাম উজ্জল, জুলাই যোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা নূরুজ্জামান নাবিল, জুলাই যোদ্ধা হুজাইফা শেখ, জুলাই যোদ্ধা মুবাশ্বির হোসেন, জুলাই যোদ্ধা রিদওয়ান, জুলাই যোদ্ধা আলতাফ মাহমুদ, জুলাই যোদ্ধা রিয়াজুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা হজরত আলী, জুলাই যোদ্ধা ইয়াছিন আরাফাত, জুলাই যোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল শাফিল, জুলাই যোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল মুয়াজ, জুলাই যোদ্ধা নাঈম শিকদার, জুলাই যোদ্ধা জাহিন হাওলাদার, জুলাই যোদ্ধা আহমাদ আব্দুল্লাহ। এ সময় নেতৃবৃন্দ তাদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। মতবিনিময় সভা শেষে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
মহানগরী আমীর আরও বলেন, যারা চোখ, পা কিংবা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। শহীদদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক উঁচুতে। তাই সরকার পাশে না থাকলেও জামায়াতে ইসলামী শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে থাকবে এবং এই সম্পর্ক কোনো ভোট বা ক্ষমতার জন্য নয় বরং দায়িত্ববোধ থেকে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে অস্বীকৃতি দেখা যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হোক। কিন্তু বর্তমান সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায়  নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। তারা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও, জনগণ যে লক্ষ্য সামনে রেখে গণভোটে রায় দিয়েছে এবং জুলাই আন্দোলনের যে মৌলিক সংস্কারের দাবি ছিল, তার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে বাকিগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে চলতে থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গুম-খুনের বিচার এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। বৈষম্যের যেসব দিক নিয়ে আমরা কথা বলেছি, সেগুলোর বাস্তবায়ন না হওয়ায় মানুষ এখন বিষয়টি উপলব্ধি করতে শুরু করেছে। আগামী দিনে জাতি যদি জুলাই সনদ এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে এগিয়ে না আসে, তাহলে প্রয়োজন হলে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।’
এ সময় জুলাই যোদ্ধা হুজাইফা শেখ বলেন, “আমরা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে জুলাই আন্দোলনে অংশ নিইনি। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম, সেই প্রত্যাশা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং তাদের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।’ তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খুলনাসহ সারা দেশে জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে