হোমিওপ্যাথি শুধু একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, এটি মানবসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বলে মন্তব্য করেছেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। তিনি বলেন, ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যান মানুষের কল্যাণে যে চিকিৎসা দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১০টায় কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ অডিটরিয়ামে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা. স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ২৭১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল বারীকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে এমপি ইজ্জত উল্লাহ আরও বলেন, একজন চিকিৎসকের প্রধান গুণ হওয়া উচিত মানবিকতা, সততা ও সেবার মানসিকতা। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে হোমিওপ্যাথি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি নতুন প্রজন্মের চিকিৎসকদের দক্ষতা ও নৈতিকতার সঙ্গে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ঢাকা কার্যালয়ের পরিচালক খাঁন মীজানুল ইসলাম সেলিম, খুলনা বিএল কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অর্থনীতি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবু নসর, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মো. ওসমান গনী, শূরা সদস্য মাওলানা মো. ওমর আলী, সাতক্ষীরা পল্লী মঙ্গল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. ইউনুছ আলী, কলারোয়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম, পৌর আমীর অধ্যাপক ইউনুস আলী বাবু, কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আহমদ আলী এবং সোনার বাংলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আশফাকুর রহমান বিপু।
বক্তারা বলেন, আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক তৈরিতে হোমিওপ্যাথিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। অনুষ্ঠান শেষে বিদায়ী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সম্মাননা প্রদান এবং নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
আজকের বাণী 






















