আজ বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন Logo সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘রিসোর্স পুল’ গঠনের নির্দেশ Logo আগের চেয়ে সুস্থ মির্জা আব্বাস, ঈদের আগে দেশে ফেরার আশা পরিবারের Logo বিশ্ব বাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ Logo সাতক্ষীরা টু বেঙ্গালুরু অনলাইন হেল্প কেয়ার সেন্টার উদ্বোধন Logo সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরলো শ্যামনগরের ১৮ জেলে Logo লেবাননে ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার দুই যুবক নিহত, পরিবারে শোকের মাতম Logo হামের মৌলিক ধারণা বিষয়ে সাতক্ষীরায় বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo তালা প্রেসক্লাবের নির্মাণকাজ ভাঙচুর, পরিদর্শনে ওসি Logo শ্যামনগরে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-ধান ৯৯ কর্তন ও কৃষক মাঠ দিবস
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০১:৫৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে জেলা প্রশাসকের প্রেস ব্রিফিং বর্জন করেছেন জেলায় কর্মরত প্রায় ৬০ জন সাংবাদিক।

বুধবার (১৩ মে) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম উপলক্ষে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত হলেও সম্মেলন কক্ষে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা ছিল না। এতে অনেক সাংবাদিককে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

সাংবাদিকদের দাবি, সম্মেলন কক্ষে পেশাদার সাংবাদিকদের তুলনায় অপসাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যক্তিদের উপস্থিতি বেশি ছিল। ফলে মূলধারার অনেক সাংবাদিক বসার জায়গা পাননি। পরে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে ব্রিফিংটি দ্বিতীয় ধাপে আয়োজনের অনুরোধ জানান।

এ সময় জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, দ্বিতীয়বার প্রোগ্রাম করার সুযোগ নেই; আগে এলে বসার জায়গা পাওয়া যেত।

এ বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে একযোগে সম্মেলন কক্ষ ত্যাগ করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। পরে জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি আবুল কাশেম বলেন, “সাংবাদিকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসক অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। এর প্রতিবাদেই আমরা প্রেস ব্রিফিং বর্জন করেছি।” তিনি জানান, সেখানে প্রায় ৬০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পি বলেন, “একজন জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। তিনি নিজেই নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধাঘণ্টা পরে সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করেছেন, অথচ সাংবাদিকদেরই দোষারোপ করেছেন।”

সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জন্য ন্যূনতম সম্মান ও বসার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

প্রেস ব্রিফিং বর্জন করে বেরিয়ে আসা সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন প্রথম আলোর কল্যাণ ব্যানার্জি, আরটিভির রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেকী ইলাহী, এটিএন বাংলার এম কামরুজ্জামান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি আবুল কাশেম, বাংলাভিশনের প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান, ডিবিসি নিউজের এম বেলাল হোসেন, এখন টেলিভিশনের আহসান রাজিব, যমুনা টেলিভিশনের আকরামুল ইসলাম, এশিয়ান টিভির মশিউর রহমান ফিরোজ, নাগরিক টিভির কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জি, স্টার নিউজের গাজী ফরহাদ, এনপিবির হোসেন আলী, টাইমস টুডে ও বাংলাদেশ বুলেটিনের মিলন বিশ্বাস, ঢাকা পোস্টের ইব্রাহিম খলিলসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন

সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন

আপডেট সময়: ০১:৫৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে জেলা প্রশাসকের প্রেস ব্রিফিং বর্জন করেছেন জেলায় কর্মরত প্রায় ৬০ জন সাংবাদিক।

বুধবার (১৩ মে) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রচার কার্যক্রম উপলক্ষে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত হলেও সম্মেলন কক্ষে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা ছিল না। এতে অনেক সাংবাদিককে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

সাংবাদিকদের দাবি, সম্মেলন কক্ষে পেশাদার সাংবাদিকদের তুলনায় অপসাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যক্তিদের উপস্থিতি বেশি ছিল। ফলে মূলধারার অনেক সাংবাদিক বসার জায়গা পাননি। পরে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে ব্রিফিংটি দ্বিতীয় ধাপে আয়োজনের অনুরোধ জানান।

এ সময় জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, দ্বিতীয়বার প্রোগ্রাম করার সুযোগ নেই; আগে এলে বসার জায়গা পাওয়া যেত।

এ বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে একযোগে সম্মেলন কক্ষ ত্যাগ করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। পরে জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি আবুল কাশেম বলেন, “সাংবাদিকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসক অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। এর প্রতিবাদেই আমরা প্রেস ব্রিফিং বর্জন করেছি।” তিনি জানান, সেখানে প্রায় ৬০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পি বলেন, “একজন জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। তিনি নিজেই নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধাঘণ্টা পরে সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করেছেন, অথচ সাংবাদিকদেরই দোষারোপ করেছেন।”

সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জন্য ন্যূনতম সম্মান ও বসার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

প্রেস ব্রিফিং বর্জন করে বেরিয়ে আসা সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন প্রথম আলোর কল্যাণ ব্যানার্জি, আরটিভির রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, দক্ষিণের মশালের সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেকী ইলাহী, এটিএন বাংলার এম কামরুজ্জামান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি আবুল কাশেম, বাংলাভিশনের প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান, ডিবিসি নিউজের এম বেলাল হোসেন, এখন টেলিভিশনের আহসান রাজিব, যমুনা টেলিভিশনের আকরামুল ইসলাম, এশিয়ান টিভির মশিউর রহমান ফিরোজ, নাগরিক টিভির কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জি, স্টার নিউজের গাজী ফরহাদ, এনপিবির হোসেন আলী, টাইমস টুডে ও বাংলাদেশ বুলেটিনের মিলন বিশ্বাস, ঢাকা পোস্টের ইব্রাহিম খলিলসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা।