নিজস্ব প্রতিবেদক: ওসমান হাদির মৃত্যুর পর সংঘটিত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে মূলধারার কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.)।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে নির্বাচন-পূর্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম, আচরণবিধি প্রতিপালন এবং সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে আয়োজিত এক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
দুপুর আড়াইটার পর নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে শুরু হওয়া ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এর আগে বেলা ১২টায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন।
ইসি কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, সাম্প্রতিক নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে কোনো মূলধারার রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ চক্র শহর এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনাকে ভাঙচুর (ভ্যান্ডালিজম) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে সেনাবাহিনীর মোট এক লাখ সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে মাঠে রয়েছে এবং বাকিরা শিগগিরই মোতায়েন হবে। জেলা পর্যায়ে সমন্বয় সেলের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন কমান্ড ও কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং নির্বাচনের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে কমিশন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রিপোর্টার 













