নিম্নচাপের প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল তলিয়ে গেছে। কোথাও আড়াই ফুট, কোথাও সাড়ে তিন ফুট পর্যন্ত পানি বৃদ্ধি পেয়ে করমজল, কটকা, হিরণপয়েন্টসহ বনাঞ্চলের বহু স্থান জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে।
তবে এতে বনের জীববৈচিত্র্য বা বন্যপ্রাণীর তেমন ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির। তিনি বলেন, “বনের ভিতরে ৪০টি টাইগার টিলা রয়েছে, যেখানে বাঘ, হরিণ, শুকরসহ অন্যান্য প্রাণী আশ্রয় নিতে পারে। এ ছাড়া জোয়ারের পানি দুই-আড়াই ঘণ্টা পরই ভাটায় নেমে যায়।”
তিনি আরও জানান, বনের ভিতরের ৮৮টি মিষ্টি পানির পুকুরেও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই, কারণ এসব পুকুরের পাড় বেশ উঁচু। ফলে লবণাক্ত পানি ঢুকতে পারেনি।
সাধারণত অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় নদ-নদীতে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। তবে চলতি অমাবস্যার সঙ্গে নিম্নচাপ যোগ হওয়ায় পানি আরও বেড়েছে। গ্রীষ্মকালে দিনের জোয়ারে পানি বেশি এবং রাতের জোয়ারে তুলনামূলক কম থাকে।
এদিকে একই নিম্নচাপের প্রভাবে মোংলার পশুর নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটও পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে ভাটায় পানি নেমে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতি ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
জাতীয় ডেস্ক 























