আজ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে একটি দুর্নীতিগ্রস্ত গোষ্ঠী সক্রিয়

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৪:১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা সিটি কলেজ দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের প্রশাসনিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান মনিরের নেতৃত্বে কলেজে যে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে, তা শিক্ষার পরিবেশে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। একাডেমিক কার্যক্রমে গতি ফিরেছে, শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ ও উপস্থিতি বেড়েছে।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি দুর্নীতিগ্রস্ত গোষ্ঠী আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সাবেক অধ্যক্ষ ড. এম শিহাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্তে উঠে আসা গুরুতর অভিযোগ — যেমন স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি — প্রমাণ করে যে তিনি কীভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। এসব অনিয়মের পরও আইনি জটিলতা তৈরি করে তিনি প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছেন, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, কলেজের এক অফিস সহকারী মতিয়ার রহমানের মাধ্যমে তথ্যপত্র পাচার, অফিসে অনিয়মিত কর্মকাণ্ড এবং কলেজ প্রশাসনের প্রতি অসদাচরণ—এগুলো শুধু প্রশাসনিক শৃঙ্খলাকেই ভঙ্গ করছে না, বরং পুরো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এমনকি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মনিরকে হেয় করার অপচেষ্টা প্রমাণ করে, এটি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তবে অধ্যক্ষ যেভাবে আলোচনার মাধ্যমে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে আবার সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ফিরেছেন তা সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

এটি দেখিয়ে দেয়, সম্মান, সংলাপ ও আন্তরিকতার মাধ্যমে যে কোনো সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব। আমরা মনে করি, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের স্বচ্ছ, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অপরদিকে শিহাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং অনিয়ম রোধে কঠোর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে একটি দুর্নীতিগ্রস্ত গোষ্ঠী সক্রিয়

আপডেট সময়: ০৪:১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

সাতক্ষীরা সিটি কলেজ দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের প্রশাসনিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান মনিরের নেতৃত্বে কলেজে যে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে, তা শিক্ষার পরিবেশে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। একাডেমিক কার্যক্রমে গতি ফিরেছে, শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ ও উপস্থিতি বেড়েছে।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি দুর্নীতিগ্রস্ত গোষ্ঠী আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সাবেক অধ্যক্ষ ড. এম শিহাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্তে উঠে আসা গুরুতর অভিযোগ — যেমন স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি — প্রমাণ করে যে তিনি কীভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। এসব অনিয়মের পরও আইনি জটিলতা তৈরি করে তিনি প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছেন, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, কলেজের এক অফিস সহকারী মতিয়ার রহমানের মাধ্যমে তথ্যপত্র পাচার, অফিসে অনিয়মিত কর্মকাণ্ড এবং কলেজ প্রশাসনের প্রতি অসদাচরণ—এগুলো শুধু প্রশাসনিক শৃঙ্খলাকেই ভঙ্গ করছে না, বরং পুরো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এমনকি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মনিরকে হেয় করার অপচেষ্টা প্রমাণ করে, এটি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তবে অধ্যক্ষ যেভাবে আলোচনার মাধ্যমে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে আবার সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ফিরেছেন তা সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

এটি দেখিয়ে দেয়, সম্মান, সংলাপ ও আন্তরিকতার মাধ্যমে যে কোনো সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব। আমরা মনে করি, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের স্বচ্ছ, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অপরদিকে শিহাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং অনিয়ম রোধে কঠোর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।