আজ সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo মিথ্যা অভিযোগে আপন ভাই-বোনকে ফাঁসানোর চেষ্টা? Logo শ্যামনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে কিশোরকে কুপিয়ে জখম Logo জীবিকার সংকটে সুন্দরবনের হাজারো বনজীবী Logo হাম ও হাম উপসর্গে শিশু মৃত্যু বেড়ে ৫৮৮ Logo জ্বালানি তেলের দাম বাধ্য হয়ে বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী Logo সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে ৬ জেলে অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি Logo পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগে রাজি হলে ৩০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পেতে পারে ইরান: নিউইয়র্ক টাইমস Logo এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-১৮ হকি: চায়নিজ তাইপেকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের প্রথম জয় Logo শ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট Logo হজ পালন করতে গিয়ে ৪১ বাংলাদেশির মৃত্যু
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

উপকূলের সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৫:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

উপকূল অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ফলে দুর্যোগ পরিস্থিতি দিন দিন জটিলতর হচ্ছে। পানির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ভূমি ক্ষয়, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হচ্চে উপকূলের জনজীবন। উপকূলীয় অঞ্চলের সংকট নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সংগঠন।

বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন লিডার্সের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরাম বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনে বিভিন্ন স্তরের মানুষ, স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি সমাজকর্মী ও পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিবছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে উপকূলের মানুষ। নদী ভাঙনে বাস্তুহারা হয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে অনেক মানুষ। উপকূলের মানুষের জন্য অবিলম্বে উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই বাঁধ নির্মাণ, দুর্যোগ পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং জীবিকা রক্ষায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল। এ অঞ্চল প্রাকৃতিগত ভাবে একটি ঐশ্বর্যপুর্ণ এবং ভু রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই উপকূল ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতা ও বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। বৈষম্য নিরসনের পাশাপাশি অনাচার বন্ধ করতে হবে। অন্যথ্যায় আমাদেরকে ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখী হতে হবে। বাংলাদেশের পাশাপাশি সমগ্র দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ভয়াবহ ক্ষতির সন্মূখীন হবে।

তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন, লবণাক্ততার বৃদ্ধি এবং পরিকল্পিত অবকাঠামোর অভাবে মারাত্মক সংকটে আছে উপকূলের জনগণ। তাই উপকূলের উন্নয়নে একটি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধন শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। যেখানে অস্তিত্ব রক্ষায় উপকূল অঞ্চলের সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

মিথ্যা অভিযোগে আপন ভাই-বোনকে ফাঁসানোর চেষ্টা?

উপকূলের সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

আপডেট সময়: ০৫:৪৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪

উপকূল অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ফলে দুর্যোগ পরিস্থিতি দিন দিন জটিলতর হচ্ছে। পানির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ভূমি ক্ষয়, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত হচ্চে উপকূলের জনজীবন। উপকূলীয় অঞ্চলের সংকট নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সংগঠন।

বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন লিডার্সের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরাম বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনে বিভিন্ন স্তরের মানুষ, স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি সমাজকর্মী ও পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিবছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে উপকূলের মানুষ। নদী ভাঙনে বাস্তুহারা হয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে অনেক মানুষ। উপকূলের মানুষের জন্য অবিলম্বে উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই বাঁধ নির্মাণ, দুর্যোগ পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং জীবিকা রক্ষায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল। এ অঞ্চল প্রাকৃতিগত ভাবে একটি ঐশ্বর্যপুর্ণ এবং ভু রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই উপকূল ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতা ও বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। বৈষম্য নিরসনের পাশাপাশি অনাচার বন্ধ করতে হবে। অন্যথ্যায় আমাদেরকে ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখী হতে হবে। বাংলাদেশের পাশাপাশি সমগ্র দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ভয়াবহ ক্ষতির সন্মূখীন হবে।

তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নদীভাঙন, লবণাক্ততার বৃদ্ধি এবং পরিকল্পিত অবকাঠামোর অভাবে মারাত্মক সংকটে আছে উপকূলের জনগণ। তাই উপকূলের উন্নয়নে একটি দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধন শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। যেখানে অস্তিত্ব রক্ষায় উপকূল অঞ্চলের সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।