আজ মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ Logo সাতক্ষীরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সভাপতি টিটু, সম্পাদক মামুন Logo সাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে ‘ভয়েস টু ভেঞ্চার ব্রিজ’ Logo তায়কোয়ানডোতে সাতক্ষীরার চার খেলোয়াড়ের চার পদক Logo দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ Logo দেবহাটায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত Logo সাতক্ষীরায় বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন করলেন শহিদুল ইসলাম মুকুল Logo রাজধানীর বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে’ Logo ২৮তম জাতীয় লিগের পর্দা উঠল, দীর্ঘ বিরতির পর খুলনায় ফিরল ক্রিকেটের প্রাণচাঞ্চল্য
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

লিখিত-মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মানদণ্ড প্রকাশের দাবি

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগের সব ধাপ সম্পন্ন করার পরও দীর্ঘ সময় ভেরিফিকেশনের নামে অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে ছিলেন অনেক প্রার্থী। নাহিদ ইসলাম বলেন, যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ নেই, তাঁদের নিয়োগ নিশ্চিত করা উচিত। একই সঙ্গে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ও ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, বাদ পড়া অনেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে থানায় ফৌজদারি মামলা বা সাধারণ ডায়েরির তথ্য নেই এবং অতীতের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যায়নি। তবে এসব দাবির স্বতন্ত্র সরকারি যাচাই বা পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়নি। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পরীক্ষার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর কোনো নাগরিককে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হলে তা নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিকভাবে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট, সনদ যাচাই ও পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন শর্ত পূরণের কথা জানানো হয়েছিল। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, পুলিশ ভেরিফিকেশনে নেতিবাচক রিপোর্ট বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে চাকরির জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা হবে। এদিকে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর নিয়োগপত্র বিতরণের কার্যক্রম ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তাঁদের ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। ভেরিফিকেশন নিয়ে নির্বাচিত কিছু প্রার্থীর অভিযোগের মধ্যেই নাহিদ ইসলামের বক্তব্য সামনে এলো। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ

লিখিত-মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মানদণ্ড প্রকাশের দাবি

আপডেট সময়: ১১:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগের সব ধাপ সম্পন্ন করার পরও দীর্ঘ সময় ভেরিফিকেশনের নামে অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে ছিলেন অনেক প্রার্থী। নাহিদ ইসলাম বলেন, যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ নেই, তাঁদের নিয়োগ নিশ্চিত করা উচিত। একই সঙ্গে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ও ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, বাদ পড়া অনেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে থানায় ফৌজদারি মামলা বা সাধারণ ডায়েরির তথ্য নেই এবং অতীতের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যায়নি। তবে এসব দাবির স্বতন্ত্র সরকারি যাচাই বা পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়নি। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পরীক্ষার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর কোনো নাগরিককে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হলে তা নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিকভাবে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট, সনদ যাচাই ও পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন শর্ত পূরণের কথা জানানো হয়েছিল। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, পুলিশ ভেরিফিকেশনে নেতিবাচক রিপোর্ট বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে চাকরির জন্য অনুপযুক্ত বিবেচনা করা হবে। এদিকে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর নিয়োগপত্র বিতরণের কার্যক্রম ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তাঁদের ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের সময়সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। ভেরিফিকেশন নিয়ে নির্বাচিত কিছু প্রার্থীর অভিযোগের মধ্যেই নাহিদ ইসলামের বক্তব্য সামনে এলো। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।