আজ শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরন Logo দেবহাটায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে বন্যাঢ্য র ্যালী ও আলোচনা সভা Logo সাতক্ষীরা হাসপাতালে সাত বছর পর চালু হলো আধুনিক পদ্ধতিতে পিত্তথলির পাথর অপারেশন Logo খুলনা প্রেসক্লাবের বার্ষিক নির্বাচনে মোস্তফা সরোয়ার সভাপতি তরিকুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক Logo আশাশুনিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা Logo আশাশুনিতে বজ্রাঘাতে ঘের ব্যবসায়ীর মৃত্যু Logo তিন দিন পর ফের কর্মচঞ্চল ভোমরা স্থলবন্দর Logo বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo সাতক্ষীরায় তরুণদের জন্য কারিগরি দক্ষতা মেলা Logo খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধে সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে শেষবার মায়ের মুখ দেখলেন দুই বাংলাদেশি কন্যা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১০:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও মানবিক বন্ধন অটুট—এই কথা প্রমাণ করল সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে এক বিশেষ ঘটনা। ভারতের বাসিন্দা জরিনা খাতুন (৯৮) মারা যাওয়ার পর দুই মেয়ে—শিরিনা খাতুন ও আলেয়া খাতুন—শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার সুযোগ পেলেন।

জানা যায়, ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট থানার ঘোজাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা জরিনা খাতুন মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় ইন্তেকাল করেন। মায়ের জানাজা বা দাফনে সীমান্ত জটিলতার কারণে অংশ নেওয়া সম্ভব না হলেও উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী মানবিকভাবে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরার ভোমরা আইসিপি চেকপোস্টে নির্ধারিত স্থানে দুই বোন তাদের মায়ের মুখ দেখেন। ভারতীয় বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার অনুজ কুমার এবং বাংলাদেশের বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার অহিদুজ্জামান নেতৃত্বে উভয় বাহিনী উপস্থিত ছিলেন।

স্বল্প সময়ের সাক্ষাতের এই মুহূর্তে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবার। উপস্থিতরা এটিকে দুই দেশের মানবিক সম্পর্কের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন। শিরিনা খাতুন ও আলেয়া খাতুন বৈবাহিকভাবে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার ভাড়ুখালী গ্রামের বাসিন্দা হলেও তাদের মা ভারতের বাসিন্দা ছিলেন। এই ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিল, সীমান্ত পার হয়ে কখনও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা যায় না।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরন

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে শেষবার মায়ের মুখ দেখলেন দুই বাংলাদেশি কন্যা

আপডেট সময়: ১০:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও মানবিক বন্ধন অটুট—এই কথা প্রমাণ করল সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে এক বিশেষ ঘটনা। ভারতের বাসিন্দা জরিনা খাতুন (৯৮) মারা যাওয়ার পর দুই মেয়ে—শিরিনা খাতুন ও আলেয়া খাতুন—শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার সুযোগ পেলেন।

জানা যায়, ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট থানার ঘোজাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা জরিনা খাতুন মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় ইন্তেকাল করেন। মায়ের জানাজা বা দাফনে সীমান্ত জটিলতার কারণে অংশ নেওয়া সম্ভব না হলেও উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী মানবিকভাবে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরার ভোমরা আইসিপি চেকপোস্টে নির্ধারিত স্থানে দুই বোন তাদের মায়ের মুখ দেখেন। ভারতীয় বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার অনুজ কুমার এবং বাংলাদেশের বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার অহিদুজ্জামান নেতৃত্বে উভয় বাহিনী উপস্থিত ছিলেন।

স্বল্প সময়ের সাক্ষাতের এই মুহূর্তে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবার। উপস্থিতরা এটিকে দুই দেশের মানবিক সম্পর্কের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন। শিরিনা খাতুন ও আলেয়া খাতুন বৈবাহিকভাবে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার ভাড়ুখালী গ্রামের বাসিন্দা হলেও তাদের মা ভারতের বাসিন্দা ছিলেন। এই ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিল, সীমান্ত পার হয়ে কখনও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা যায় না।