ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পূর্ণ নিরাপদ, অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সারাদেশে প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া প্রথমবারের মতো ভোট কেন্দ্রে ইউএভি (ড্রোন) এবং বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে জানান, ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে ভোট স্থগিত হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার, ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসার। মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা ভোট পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করবেন।
ভোট গণনা শেষে কেন্দ্রে আনঅফিসিয়াল ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং তা ফর্ম-১৮তে লিপিবদ্ধ করে রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে কমিশনে পাঠানো হবে। নির্বাচনের জন্য প্রায় ২৫ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা মাঠে থাকবে, যার কিছু আইপি বেসড সরাসরি ফিড দেবে, বাকিগুলো লোকাল রেকর্ডিং করবে। ৯০ ভাগ কেন্দ্রেই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
ভোটগ্রহণ সকাল ৮:৩০ থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত চলবে। তবে বিকেল ৪:৩০টার পরও কেন্দ্রের ভিতরে থাকা ভোটারদের ভোট নেওয়া হবে। মোট ৪২,৬৫৯টি কেন্দ্রে ভোট হবে, যার প্রায় অর্ধেককে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একই সময়ে গণনা করা হবে। সাদা ব্যালট সংসদ নির্বাচনের, গোলাপি ব্যালট গণভোটের জন্য। ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম বা প্রতীক থাকবে এবং গোপন কক্ষে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ। অবৈধ অস্ত্র ও অর্থের প্রভাব রোধে কমিশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ১৩ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ৮৫০টি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ভোটার, প্রার্থী ও দলের প্রতি কমিশন আহ্বান জানিয়েছে, উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে।
রিপোর্টার 




















