আজকের বাণী ডেস্ক: শ্যামনগরসহ উপকূলীয় অঞ্চলে বর্ষা এনজিওর মালিকানা একাধিকবার হস্তান্তর ও বিক্রির ফলে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঞ্চয় ও আমানত সংগ্রহের পরেও গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরত পাচ্ছেন না।
স্থানীয়রা জানায়, বর্ষা এনজিও নানা লোভনীয় প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে সঞ্চয় সংগ্রহ করলেও প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা হঠাৎ করে একের পর এক বিক্রি হতে থাকে। নতুন মালিকপক্ষও এনজিও পরিচালনায় কোনো কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে না। ফলে হতাশ গ্রাহকরা প্রতিদিনই বর্ষা এনজিওর অফিসে এসে ফিরে যাচ্ছেন টাকার কোন হদিস না পেয়ে।
একজন ক্ষুব্ধ গ্রাহক বলেন, “আমরা গরিব, কষ্ট করে টাকা জমিয়েছি। এখন মালিক পাল্টে যাচ্ছে, অফিস বন্ধ, আর আমাদের টাকা কোথায় তা কেউ জানায় না। আমরা কোথায় যাব?”
অন্যদিকে, ভুক্তভোগীরা এনজিওটির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অনেকেই থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জিএম আব্দুর রউফ বলেন, “বর্ষা এনজিওর মালিকানা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিক্রি হয়েছে, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে কিছু টাকা গ্রাহকদের কাছে ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা চলছে। আশা করছি মাসখানেকের মধ্যে সঞ্চয়কারীরা তাদের টাকা পাবে।”
উপকূলীয় জনগণ প্রশ্ন তুলছেন, বহু বছর ধরে আমানত হিসেবে সংগৃহীত লক্ষ লক্ষ টাকার গন্তব্য কোথায়? বর্ষা এনজিওর প্রকৃত মালিকানা ও টাকা ফেরত পাওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। যদিও বর্ষা এনজিওর অফিসের সঙ্গে যোগাযোগের প্রচেষ্টা চালানো হলেও তারা কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
রিপোর্টার 























