আজ বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরায় পাটের আবাদ কমেছে: চাষ হয়েছে ১১ হাজার ৬০৭ হেক্টর জমিতে

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১০:১৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি: চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে সাতক্ষীরা জেলায় পাট চাষে কিছুটা ভাটা পড়েছে। এ বছর জেলায় ১১ হাজার ৬০৭ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে, যেখানে গত বছর এই পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ৫৪০ হেক্টর। অর্থাৎ, বিগত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে ৯৩৩ হেক্টর জমিতে কম পাট চাষ হয়েছে।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাট চাষ হয়েছে সদর উপজেলায়। এখানে চাষাবাদ হয়েছে ৫ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে। অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও সীমিত পরিসরে পাট চাষ হয়েছে, তবে আবহাওয়া ও বাজারমূল্যের অস্থিরতা, শ্রমিক সংকট এবং লাভজনক ফসলের প্রতি কৃষকদের ঝোঁকের কারণে চাষের পরিমাণ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে বলে কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

পাটচাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগে পাটের ভালো দাম পাওয়া যেত, এখন খরচ বেশি, লাভ কম। তাই অনেকে পাট ছেড়ে ধান বা সবজি চাষে ঝুঁকছেন।”

জেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ফসল। কৃষকদের উৎসাহিত করতে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। তবে বাজারজাতকরণ ও ন্যায্য মূল্যের নিশ্চয়তা ছাড়া পাটচাষ আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় পাটের আবাদ কমেছে: চাষ হয়েছে ১১ হাজার ৬০৭ হেক্টর জমিতে

আপডেট সময়: ১০:১৯:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি: চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে সাতক্ষীরা জেলায় পাট চাষে কিছুটা ভাটা পড়েছে। এ বছর জেলায় ১১ হাজার ৬০৭ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে, যেখানে গত বছর এই পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ৫৪০ হেক্টর। অর্থাৎ, বিগত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে ৯৩৩ হেক্টর জমিতে কম পাট চাষ হয়েছে।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাট চাষ হয়েছে সদর উপজেলায়। এখানে চাষাবাদ হয়েছে ৫ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে। অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও সীমিত পরিসরে পাট চাষ হয়েছে, তবে আবহাওয়া ও বাজারমূল্যের অস্থিরতা, শ্রমিক সংকট এবং লাভজনক ফসলের প্রতি কৃষকদের ঝোঁকের কারণে চাষের পরিমাণ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে বলে কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

পাটচাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগে পাটের ভালো দাম পাওয়া যেত, এখন খরচ বেশি, লাভ কম। তাই অনেকে পাট ছেড়ে ধান বা সবজি চাষে ঝুঁকছেন।”

জেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ফসল। কৃষকদের উৎসাহিত করতে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। তবে বাজারজাতকরণ ও ন্যায্য মূল্যের নিশ্চয়তা ছাড়া পাটচাষ আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে।