আজ বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ Logo জনগণকে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে: এমপি মারদিয়া মমতাজ Logo খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ Logo দেবহাটায় সরকারি জমিতে পাকাঁ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ Logo টেকসই উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা Logo আশাশুনিতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo আশাশুনি সদর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo জাল নোট ঠেকাতে সাতক্ষীরার পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ চালু Logo বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট আলোচনা ও স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo উপহারে হাসলো সাতক্ষীরার পিছিয়ে পড়া ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

যে দলের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে পারে, তাদের ভয় দেখাবেন না: সাতক্ষীরায় জামায়াতের আমীর

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৪:৩০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “যে দলের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে পারে, তাদের ভয় দেখিয়ে দমানো যাবে না। বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনে আমি নিজের জীবন দিতেও প্রস্তুত।” মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে যদি মা-বোনদের সম্মানহানি করা হয়, তা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। আমাদের কোনো কার্ড নেই; আমরা মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।” ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “আমরা যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাই, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। ইনসাফ মানে শুধু সমতা নয়, ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের শাসনে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস থাকবে না। আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দিতে চাই না। বেকার ভাতা দেওয়া মানে তাদের অপমান করা। যুবকরা ভাতা নয়, কাজ চায়—আমরা তাদের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই।” তিনি বলেন, “আল্লাহ সুযোগ দিলে শাসন হবে জনগণের শাসন। আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, চাই দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। ১৮ কোটি মানুষ মুক্ত হলে আমরাও মুক্ত। আর মানুষ যদি দালালিতে জড়িয়ে পড়ে, আমরা সবাই বিপদে পড়বো।” ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “১২ তারিখ প্রথম সিলটি পড়বে ‘হ্যাঁ’ ভোটে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি। আপনারাই বলুন—গোলামি না আজাদি?” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বিগত সময়ে যারা দেশ থেকে লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় এনে জনগণের অর্থ জনগণের কাছেই ফেরত দেওয়া হবে।” সাতক্ষীরার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সারাদেশে ফ্যাসিবাদী সরকার গুম, খুন ও নির্যাতন চালিয়েছে। সাতক্ষীরায় আমাদের নেতাকর্মীদের গুম-খুনের পাশাপাশি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হলে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “মুসলমানদের মধ্যেও মতভেদ আছে। সুযোগ পেলে সবাইকে নিয়ে বসে একটি কমন বোর্ড গঠন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” শেষে তিনি ১২ তারিখ ‘ইনসাফ, ন্যায় ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে’ অবস্থান নিতে সাতক্ষীরাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক গোলাম পরোয়ার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, খুলনা সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ

যে দলের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে পারে, তাদের ভয় দেখাবেন না: সাতক্ষীরায় জামায়াতের আমীর

আপডেট সময়: ০৪:৩০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “যে দলের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে পারে, তাদের ভয় দেখিয়ে দমানো যাবে না। বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনে আমি নিজের জীবন দিতেও প্রস্তুত।” মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে যদি মা-বোনদের সম্মানহানি করা হয়, তা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। আমাদের কোনো কার্ড নেই; আমরা মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।” ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “আমরা যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাই, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। ইনসাফ মানে শুধু সমতা নয়, ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের শাসনে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস থাকবে না। আমরা যুবকদের বেকার ভাতা দিতে চাই না। বেকার ভাতা দেওয়া মানে তাদের অপমান করা। যুবকরা ভাতা নয়, কাজ চায়—আমরা তাদের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই।” তিনি বলেন, “আল্লাহ সুযোগ দিলে শাসন হবে জনগণের শাসন। আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, চাই দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। ১৮ কোটি মানুষ মুক্ত হলে আমরাও মুক্ত। আর মানুষ যদি দালালিতে জড়িয়ে পড়ে, আমরা সবাই বিপদে পড়বো।” ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “১২ তারিখ প্রথম সিলটি পড়বে ‘হ্যাঁ’ ভোটে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি। আপনারাই বলুন—গোলামি না আজাদি?” তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বিগত সময়ে যারা দেশ থেকে লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় এনে জনগণের অর্থ জনগণের কাছেই ফেরত দেওয়া হবে।” সাতক্ষীরার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সারাদেশে ফ্যাসিবাদী সরকার গুম, খুন ও নির্যাতন চালিয়েছে। সাতক্ষীরায় আমাদের নেতাকর্মীদের গুম-খুনের পাশাপাশি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হলে সাতক্ষীরার চারটি আসনেই দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “মুসলমানদের মধ্যেও মতভেদ আছে। সুযোগ পেলে সবাইকে নিয়ে বসে একটি কমন বোর্ড গঠন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” শেষে তিনি ১২ তারিখ ‘ইনসাফ, ন্যায় ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে’ অবস্থান নিতে সাতক্ষীরাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক গোলাম পরোয়ার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, খুলনা সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।