শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল নাঈম মোহাম্মদ এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার প্রশ্নই ওঠে না। বরং নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে সঠিকভাবে আছে কি না তা যাচাই করা হবে। প্রথমে যাচাই-বাছাই করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), এরপর জেলা প্রশাসক (ডিসি)। পরে তিনটি নাম সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হবে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় নিজ নির্বাচনী এলাকায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কয়েক ধাপের যাচাই-বাছাই শেষে দেখা হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি শিক্ষিত, সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী কি না। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। যেমন—ডিপ্লোমাধারী অনেক প্রকৌশলী রয়েছেন, যারা ডিগ্রি পাস নন; তবুও তারা শিক্ষিত এবং শিক্ষানুরাগী। এ ধরনের ব্যক্তিদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা আরও জোরদার করা যায়। কোথাও বলা হয়নি যে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এবং সঞ্চালনা করেন একাডেমিক সুপারভাইজার সোহেল রানা। এ সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন, কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টার 






















