আজ রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম -01711 211241

মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১৫ সাংবাদিক

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:৩৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে শিশু অধিকার নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনিসেফের মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ প্রদান করা হয়েছে। শিশু সংক্রান্ত বিষয়াবলী নিয়ে অসাধারণ প্রতিবেদন করার জন্য ১২ ক্যাটাগরিতে মোট ১৫ জন সাংবাদিককে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে সোমবার বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা হলেন- আহমাদুল হাসান (প্রথম আলো), মো. সাজিদ হোসেন (প্রথম আলো), মো. বনি আমিন (যমুনা টিভি), মো. সবুজ মাহমুদ (ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি), মো. রাকিবুল হাসান তামিম (ঢাকা পোস্ট), মো. জসীম উদ্দিন (ঢাকা পোস্ট), মুছা মল্লিক (ঢাকা পোস্ট), নজরুল ইসলাম (ঢাকা পোস্ট), বরিউল আলম (ঢাকা নোট), সাধন কুমার সরকার (প্রতিদিনের বাংলাদেশ), শারমিন রিমা (সিভয়েস টুয়েন্টিফোর ডটকম), উদিসা ইসলাম (বাংলা ট্রিবিউন)। ১৮ বছরের নিচে বিজয়ীরা হলেন-মো. সাফায়েত হোসেন শান্ত (দৈনিক আজকের সুন্দরবন), মো. মুজাহিদ ইসলাম (এটিএবাংলা), মো. নাঈম ইসলাম (ইকোনোমিকনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম)।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। পুরস্কার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের প্রয়োজনগুলো সবার সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিশু সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে তাদের অন্তর্দৃষ্টিমূলক বিশ্লেষণ, সমাজ ও নীতিনির্ধারক উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পথনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। ফলে শিশু অধিকারগুলো নিশ্চিতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়। বাংলাদেশে ইউনিসেফের রিপ্রেজেন্টেটিভ শেলডন ইয়েট বলেন, ‘প্রতিবেদন, ফটো ও ভিডিও সাংবাদিকদের যে কাজগুলো আমরা দেখলাম, সেগুলো শিশুদের জীবনে কেবল কী প্রয়োজন তাই তুলে ধরেনি, বরং তাদের জীবন আরও সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য কী কী করণীয় সেদিকেও আলোকপাত করেছে। আজকে, মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডসের মাধ্যমে বিজয়ীদের সম্মান জানানোর এই সুবর্ণক্ষণে, আমরা শিশুদের কথাগুলো শোনার, তাদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়ার এবং তাদের অধিকারগুলোর নিশ্চিত করার আমাদের যে অঙ্গীকার রয়েছে তা পুনর্ব্যক্ত করছি।’ মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডসের ১৮তম এই আসরে, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রিন্ট, ফটো ও ভিডিও সাংবাদিকদের কাছ থেকে এক হাজারের বেশি প্রতিবেদন জমা পড়ে। গত বছর যেখানে জমা পড়েছিল মাত্র ৩০০টি।

এরমধ্যে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছিলেন ৬৫ জন। নয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ বিচারক প্যানেল এই ৬৫ জনের মধ্য থেকে ১৫ জনকে বিজয়ী নির্বাচিত করেছেন। এই বিচারক প্যানেলের একজন সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতিআরা নাসরিন বলেন, মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস প্রতি বছর আমাদের শিশুদের অধিকার রক্ষার গুরু দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, সম্ভাবনাময় শিশু সাংবাদিকসহ আমাদের সাংবাদিক কমিউনিটি, দেশে শিশুদের জীবনের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী জরুরি বিষয়গুলো নিয়ে তাদের এই লেখা চালিয়ে যাবেন।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা ট্রিবিউন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক রিয়াজ আহমদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের ন্যাশনাল ডাউইল অ্যাম্বাসেডর বিদ্যা সিনহা মীমসহ ইউনিসেফের চাইল্ড অ্যাডভোকেটস এবং বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

ট্যাগস:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১৫ সাংবাদিক

আপডেট সময়: ০১:৩৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

বাংলাদেশে শিশু অধিকার নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনিসেফের মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ প্রদান করা হয়েছে। শিশু সংক্রান্ত বিষয়াবলী নিয়ে অসাধারণ প্রতিবেদন করার জন্য ১২ ক্যাটাগরিতে মোট ১৫ জন সাংবাদিককে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে সোমবার বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা হলেন- আহমাদুল হাসান (প্রথম আলো), মো. সাজিদ হোসেন (প্রথম আলো), মো. বনি আমিন (যমুনা টিভি), মো. সবুজ মাহমুদ (ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি), মো. রাকিবুল হাসান তামিম (ঢাকা পোস্ট), মো. জসীম উদ্দিন (ঢাকা পোস্ট), মুছা মল্লিক (ঢাকা পোস্ট), নজরুল ইসলাম (ঢাকা পোস্ট), বরিউল আলম (ঢাকা নোট), সাধন কুমার সরকার (প্রতিদিনের বাংলাদেশ), শারমিন রিমা (সিভয়েস টুয়েন্টিফোর ডটকম), উদিসা ইসলাম (বাংলা ট্রিবিউন)। ১৮ বছরের নিচে বিজয়ীরা হলেন-মো. সাফায়েত হোসেন শান্ত (দৈনিক আজকের সুন্দরবন), মো. মুজাহিদ ইসলাম (এটিএবাংলা), মো. নাঈম ইসলাম (ইকোনোমিকনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম)।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। পুরস্কার বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের প্রয়োজনগুলো সবার সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিশু সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে তাদের অন্তর্দৃষ্টিমূলক বিশ্লেষণ, সমাজ ও নীতিনির্ধারক উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পথনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। ফলে শিশু অধিকারগুলো নিশ্চিতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়। বাংলাদেশে ইউনিসেফের রিপ্রেজেন্টেটিভ শেলডন ইয়েট বলেন, ‘প্রতিবেদন, ফটো ও ভিডিও সাংবাদিকদের যে কাজগুলো আমরা দেখলাম, সেগুলো শিশুদের জীবনে কেবল কী প্রয়োজন তাই তুলে ধরেনি, বরং তাদের জীবন আরও সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য কী কী করণীয় সেদিকেও আলোকপাত করেছে। আজকে, মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডসের মাধ্যমে বিজয়ীদের সম্মান জানানোর এই সুবর্ণক্ষণে, আমরা শিশুদের কথাগুলো শোনার, তাদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়ার এবং তাদের অধিকারগুলোর নিশ্চিত করার আমাদের যে অঙ্গীকার রয়েছে তা পুনর্ব্যক্ত করছি।’ মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডসের ১৮তম এই আসরে, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রিন্ট, ফটো ও ভিডিও সাংবাদিকদের কাছ থেকে এক হাজারের বেশি প্রতিবেদন জমা পড়ে। গত বছর যেখানে জমা পড়েছিল মাত্র ৩০০টি।

এরমধ্যে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছিলেন ৬৫ জন। নয় সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ বিচারক প্যানেল এই ৬৫ জনের মধ্য থেকে ১৫ জনকে বিজয়ী নির্বাচিত করেছেন। এই বিচারক প্যানেলের একজন সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতিআরা নাসরিন বলেন, মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস প্রতি বছর আমাদের শিশুদের অধিকার রক্ষার গুরু দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, সম্ভাবনাময় শিশু সাংবাদিকসহ আমাদের সাংবাদিক কমিউনিটি, দেশে শিশুদের জীবনের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী জরুরি বিষয়গুলো নিয়ে তাদের এই লেখা চালিয়ে যাবেন।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা ট্রিবিউন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক রিয়াজ আহমদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের ন্যাশনাল ডাউইল অ্যাম্বাসেডর বিদ্যা সিনহা মীমসহ ইউনিসেফের চাইল্ড অ্যাডভোকেটস এবং বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।