আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম -01711 211241

গাজায় নারীদের যৌন নিপীড়ন করছে ইসরায়েলি সেনারা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৭:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বহু আগ থেকেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তুলে আসছেন আন্তর্জাতিক যুদ্ধ বিশ্লেষকরা। নির্বিচার বোমাবর্ষণ ও পাখির মতো নিরীহ মানুষ হত্যা করছে নেতানিয়াহু বাহিনী। এত কিছুর পর এবার তাদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি নারীদের ওপর যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগ করেছে ইসরায়েলেরই প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের একজন সামরিক কর্মকর্তা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্সের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আভিভির কাছে ফিলিস্তিনি নারীদের যৌন নিপীড়নের এমন অভিযোগ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা। দ্য জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা যায়। তার আগে গেল সপ্তাহে গাজার আল-শিফা হাসপাতালে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সেখানে ফিলিস্তিনি নারীদের হত্যার আগে যৌন নিপীড়ন করেছে আইডিএফ সেনারা, এমন অভিযোগ এনেছেন জামিলা আল হিসি নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী নারী। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটা জানা যায়।

জামিলা জানান, অভিযানের সময় ইসরায়েলি বাহিনী অন্তত ৬৫টি পরিবাররের সদস্যদের হাসপাতাল এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে এবং অধিকাংশ পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করেছে। এ সময় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর কাছে ইফতার করার জন্য পর্যাপ্ত পানি ছিল না বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শী এই নারী। এদিকে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার আল-আমল ও আল-নাসর হাসপাতাল ঘেরাও করে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। এ সময় বন্দুকের মুখে স্বাস্থ্যকর্মী ও রোগীদের হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। রোববার ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। এর আগে আল-শিফা অবরোধ করে ৪৮০ জন হামাস যোদ্ধাকে আটকের দাবি করেছিল ইসরায়েল।

ইসরায়েল বলছে, পাঁচ মাস ধরে যুদ্ধে জর্জরিত গাজার হাসপাতালগুলোকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতকামী সংগঠন হামাস। এমন দাবির সাফাই গেয়ে বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করেছে দেশটি। তবে হামাস ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা ইসরায়েলের এমন দাবি অস্বীকার করে আসছেন।

ট্যাগস:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় নারীদের যৌন নিপীড়ন করছে ইসরায়েলি সেনারা

আপডেট সময়: ০৭:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বহু আগ থেকেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তুলে আসছেন আন্তর্জাতিক যুদ্ধ বিশ্লেষকরা। নির্বিচার বোমাবর্ষণ ও পাখির মতো নিরীহ মানুষ হত্যা করছে নেতানিয়াহু বাহিনী। এত কিছুর পর এবার তাদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি নারীদের ওপর যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগ করেছে ইসরায়েলেরই প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের একজন সামরিক কর্মকর্তা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্সের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আভিভির কাছে ফিলিস্তিনি নারীদের যৌন নিপীড়নের এমন অভিযোগ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা। দ্য জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা যায়। তার আগে গেল সপ্তাহে গাজার আল-শিফা হাসপাতালে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সেখানে ফিলিস্তিনি নারীদের হত্যার আগে যৌন নিপীড়ন করেছে আইডিএফ সেনারা, এমন অভিযোগ এনেছেন জামিলা আল হিসি নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী নারী। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটা জানা যায়।

জামিলা জানান, অভিযানের সময় ইসরায়েলি বাহিনী অন্তত ৬৫টি পরিবাররের সদস্যদের হাসপাতাল এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে এবং অধিকাংশ পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করেছে। এ সময় ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর কাছে ইফতার করার জন্য পর্যাপ্ত পানি ছিল না বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শী এই নারী। এদিকে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার আল-আমল ও আল-নাসর হাসপাতাল ঘেরাও করে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। এ সময় বন্দুকের মুখে স্বাস্থ্যকর্মী ও রোগীদের হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। রোববার ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। এর আগে আল-শিফা অবরোধ করে ৪৮০ জন হামাস যোদ্ধাকে আটকের দাবি করেছিল ইসরায়েল।

ইসরায়েল বলছে, পাঁচ মাস ধরে যুদ্ধে জর্জরিত গাজার হাসপাতালগুলোকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতকামী সংগঠন হামাস। এমন দাবির সাফাই গেয়ে বেশ কিছু ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করেছে দেশটি। তবে হামাস ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা ইসরায়েলের এমন দাবি অস্বীকার করে আসছেন।