আজ শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম -01711 211241
উদ্ধারের অপেক্ষায় ‘এমভি আবদুল্লাহ’

যোগাযোগ করেছে জলদস্যুরা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৫:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০২৪
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

ভারত মহাসাগরে ২৩ নাবিকসহ ছিনতাই হওয়া ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজ জলদস্যুবেষ্টিত অবস্থায় টানা ৯ দিন ধরে সোমালিয়ার উপকূলে ভাসছে। দেখছে সবাই, কিন্তু নাবিকদের প্রাণের দামকে মূল্য দিয়ে অভিযানে যেতে নিষেধ করেছে স্বয়ং জাহাজের বাংলাদেশি মালিক পক্ষ। তাদের প্রত্যাশা নিশ্চয় একটা বিনিময় প্রস্তাব আসবে জাহাজের দখল নেওয়া জলদস্যুদের পক্ষ থেকে। জাহাজের মালিক পক্ষ ও জিম্মি নাবিকদের পরিবারের সদস্যদের চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ৮ দিন পার করিয়ে অবশেষে এসেছে সেই বার্তা। গতকাল দস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে জাহাজ মালিক পক্ষের। গতকাল দুপুরে দস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগের কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন জাহাজের মালিক কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম। তিনি জানান, ‘বুধবার সোমালিয়ার দস্যুদের সঙ্গে মালিক পক্ষের যোগাযোগ হয়েছে। দস্যুরা যোগাযোগ শুরু করেছে। আশা করছি উভয় পক্ষের মধ্যে এ বিষয়ে সমঝোতা হবে। জাহাজের জিম্মি নাবিকরা সুস্থভাবে ফিরে আসবেন।’ তবে কোনো দাবি-দাওয়া জানিয়েছে কি না সে বিষয়ে কিছুই জানাননি মিজান।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএমওএ) সভাপতি ক্যাপ্টেন এম আনাম চৌধুরী এ তথ্য বিশ্লেষণ করে বলেছেন, জাহাজটিতে চার ধরনের দস্যু গ্রুপ আছে। একটি গ্রুপ জাহাজ আটক করেছে। আরেকটা গ্রুপ জাহাজের নিয়ন্ত্রণে আছে। আরেক পক্ষ আছে নানা ধরনের সরবরাহে। আর চার নম্বর গ্রুপের দায়িত্ব হচ্ছে সমঝোতা করা। এখন কোন গ্রুপ যোগাযোগ করেছে তা জানা গেলে সমঝোতার পথ হয়তো সহজ হবে। জলদস্যুদের হাতে জাহাজ হারিয়ে পরে তা উদ্ধারের অভিজ্ঞতা আগেও হয়েছে কবির গ্রুপের। প্রায় ১৩ বছর আগে একই কোম্পানির জাহাজ এমভি জাহান মণি ছিনতাই করেছিল দস্যুরা। সেবার জলদস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করে জাহাজসহ নাবিকদের ফিরিয়ে আনতে ১০০ দিন লেগেছিল। এবার অবশ্য ওই পক্ষ আগে যোগাযোগ করায় সময় আরও কম লাগবে বলে ধারণা গ্রুপ-সংশ্লিষ্টদের। তবে যাই ঘটুক না কেন, নাবিক ও ক্রুদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

জানতে চাইলে সমুদ্রগামী বাণিজ্যিক জাহাজের ক্যাপ্টেন আতিক ইউ এ খান জাহাজ উদ্ধারের বিষয়ে বলেন, ‘এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ জিম্মি করা দস্যুরা মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কত ডলার দাবি করেছে তা বলতে পারছি না। প্রথমে অনেক বেশি দাবি করবে। পরবর্তীতে তা দরকষাকষিতে কমে আসবে। উভয়ের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘অবস্থান পরিবর্তন করেছে দস্যুরা। এবার তীর থেকে মাত্র দেড় নটিক্যাল মাইল দূরে নিয়ে জাহাজ নোঙর করা হয়েছে। তবে জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ উদ্ধারে জলদস্যুদের ওপর যৌথভাবে চাপ বাড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতীয় নৌবাহিনী। তিনি বলেন, ‘গত দুই দিন আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী এমভি আবদুল্লাহকে বেশ চাপের মুখে রেখেছে। যুদ্ধজাহাজগুলো এমভি আবদুল্লাহর দেড় নটিক্যাল মাইলের মধ্যে চলে এলে জলদস্যুরা জাহাজের নোঙর তুলে আরও ভেতরে চলে গিয়ে তীরের মাত্র এক দশমিক পাঁচ মাইল দূরে আবার নোঙর করেছে। দস্যুরা এটাও বলেছে যে, বাড়াবাড়ি করলে জাহাজ তীরে তুলে দেবে। তবে নৌবাহিনী এখনো বিভিন্নভাবে তাদের অবস্থান জানান দিচ্ছে। এই চাপ হয়তো জলদস্যুদের দ্রুত মুক্তিপণ দাবিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।’

আতিক ইউ এ খান আরও বলেন, ‘নৌবাহিনীর চাপের ফলে সব নাবিককে এখন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই ব্রিজে অবস্থান করতে হচ্ছে। এ ছাড়া মাঝে মধ্যে ভিএইচএফ (ওয়াকিটকি) ব্যবহার করে নৌবাহিনীকে অনুরোধও জানাতে হচ্ছে যেন কাছে না আসে।’ তবে জাহাজের নতুন করে অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি কবির গ্রুপের মুখপাত্র ও মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম। ‘তিনি বলেন, আমরা সমঝোতার মাধ্যমে জাহাজের সব নাবিককে সুস্থভাবে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।’ এর আগে, গত ১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ সোমালিয়ার গ্যারাকাদ উপকূল থেকে সাত নটিক্যাল মাইল দূরে নোঙর করে রেখেছিল। সেখান থেকে শুক্রবার ২৩ নাবিকসহ জাহাজটির অবস্থান পরিবর্তন করা হয়। এরপর সেখান থেকে আরেক দফা জাহাজটির অবস্থান পরিবর্তন করা হয়। এদিকে, গত শনিবার ভারতীয় নৌবাহিনী মাল্টার পতাকাবাহী জাহাজ এমভি রুয়েনকে জলদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করেছে। ডিসেম্বরে জাহাজটি দখল করেছিল জলদস্যুরা। অভিযানে জাহাজটির ১৭ ক্রুকে মুক্ত ও ৩৫ জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘এমভি আব্দুল্লাহ’কেও পাখির চোখ করেছে। ফলে এবার সমঝোতা প্রস্তাবে দস্যুরা দ্রুত সায় না দিলে তাদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত অভিযানে যেতে ভারতীয় পক্ষের আপত্তি নেই।

সমস্যা হচ্ছে, নানা চাপে আক্রান্ত সোমালিয়া সরকার নিজেদের স্থির রাখতে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রায় নেয়ই না। এ কারণে দেশটির পুলিশ বাহিনী সহযোগিতা করতে চাইলেও কতটা পারবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত নয় আন্তর্জাতিক কোনো পক্ষ। তাই সমঝোতাকে সহজ পথ ভাবছে এমভি আবদুল্লাহর মালিক পক্ষ। উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে কবির গ্রুপের মালিকানাধীন এস আর শিপিংয়ের জাহাজটি জলদস্যুদের কবলে পড়ার খবর জানতে পারেন গ্রুপের কর্মকর্তারা। জাহাজটি আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে সোমালিয়ার অফকোস্টে ৪৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে জলদস্যু দ্বারা আক্রান্ত হয়। জাহাজটিতে মোট ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিক আছেন।

ট্যাগস:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

উদ্ধারের অপেক্ষায় ‘এমভি আবদুল্লাহ’

যোগাযোগ করেছে জলদস্যুরা

আপডেট সময়: ০৫:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০২৪

ভারত মহাসাগরে ২৩ নাবিকসহ ছিনতাই হওয়া ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজ জলদস্যুবেষ্টিত অবস্থায় টানা ৯ দিন ধরে সোমালিয়ার উপকূলে ভাসছে। দেখছে সবাই, কিন্তু নাবিকদের প্রাণের দামকে মূল্য দিয়ে অভিযানে যেতে নিষেধ করেছে স্বয়ং জাহাজের বাংলাদেশি মালিক পক্ষ। তাদের প্রত্যাশা নিশ্চয় একটা বিনিময় প্রস্তাব আসবে জাহাজের দখল নেওয়া জলদস্যুদের পক্ষ থেকে। জাহাজের মালিক পক্ষ ও জিম্মি নাবিকদের পরিবারের সদস্যদের চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ৮ দিন পার করিয়ে অবশেষে এসেছে সেই বার্তা। গতকাল দস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে জাহাজ মালিক পক্ষের। গতকাল দুপুরে দস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগের কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন জাহাজের মালিক কবির গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম। তিনি জানান, ‘বুধবার সোমালিয়ার দস্যুদের সঙ্গে মালিক পক্ষের যোগাযোগ হয়েছে। দস্যুরা যোগাযোগ শুরু করেছে। আশা করছি উভয় পক্ষের মধ্যে এ বিষয়ে সমঝোতা হবে। জাহাজের জিম্মি নাবিকরা সুস্থভাবে ফিরে আসবেন।’ তবে কোনো দাবি-দাওয়া জানিয়েছে কি না সে বিষয়ে কিছুই জানাননি মিজান।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএমওএ) সভাপতি ক্যাপ্টেন এম আনাম চৌধুরী এ তথ্য বিশ্লেষণ করে বলেছেন, জাহাজটিতে চার ধরনের দস্যু গ্রুপ আছে। একটি গ্রুপ জাহাজ আটক করেছে। আরেকটা গ্রুপ জাহাজের নিয়ন্ত্রণে আছে। আরেক পক্ষ আছে নানা ধরনের সরবরাহে। আর চার নম্বর গ্রুপের দায়িত্ব হচ্ছে সমঝোতা করা। এখন কোন গ্রুপ যোগাযোগ করেছে তা জানা গেলে সমঝোতার পথ হয়তো সহজ হবে। জলদস্যুদের হাতে জাহাজ হারিয়ে পরে তা উদ্ধারের অভিজ্ঞতা আগেও হয়েছে কবির গ্রুপের। প্রায় ১৩ বছর আগে একই কোম্পানির জাহাজ এমভি জাহান মণি ছিনতাই করেছিল দস্যুরা। সেবার জলদস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করে জাহাজসহ নাবিকদের ফিরিয়ে আনতে ১০০ দিন লেগেছিল। এবার অবশ্য ওই পক্ষ আগে যোগাযোগ করায় সময় আরও কম লাগবে বলে ধারণা গ্রুপ-সংশ্লিষ্টদের। তবে যাই ঘটুক না কেন, নাবিক ও ক্রুদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

জানতে চাইলে সমুদ্রগামী বাণিজ্যিক জাহাজের ক্যাপ্টেন আতিক ইউ এ খান জাহাজ উদ্ধারের বিষয়ে বলেন, ‘এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ জিম্মি করা দস্যুরা মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কত ডলার দাবি করেছে তা বলতে পারছি না। প্রথমে অনেক বেশি দাবি করবে। পরবর্তীতে তা দরকষাকষিতে কমে আসবে। উভয়ের মধ্যে একটা সমঝোতা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘অবস্থান পরিবর্তন করেছে দস্যুরা। এবার তীর থেকে মাত্র দেড় নটিক্যাল মাইল দূরে নিয়ে জাহাজ নোঙর করা হয়েছে। তবে জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ উদ্ধারে জলদস্যুদের ওপর যৌথভাবে চাপ বাড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতীয় নৌবাহিনী। তিনি বলেন, ‘গত দুই দিন আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী এমভি আবদুল্লাহকে বেশ চাপের মুখে রেখেছে। যুদ্ধজাহাজগুলো এমভি আবদুল্লাহর দেড় নটিক্যাল মাইলের মধ্যে চলে এলে জলদস্যুরা জাহাজের নোঙর তুলে আরও ভেতরে চলে গিয়ে তীরের মাত্র এক দশমিক পাঁচ মাইল দূরে আবার নোঙর করেছে। দস্যুরা এটাও বলেছে যে, বাড়াবাড়ি করলে জাহাজ তীরে তুলে দেবে। তবে নৌবাহিনী এখনো বিভিন্নভাবে তাদের অবস্থান জানান দিচ্ছে। এই চাপ হয়তো জলদস্যুদের দ্রুত মুক্তিপণ দাবিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।’

আতিক ইউ এ খান আরও বলেন, ‘নৌবাহিনীর চাপের ফলে সব নাবিককে এখন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই ব্রিজে অবস্থান করতে হচ্ছে। এ ছাড়া মাঝে মধ্যে ভিএইচএফ (ওয়াকিটকি) ব্যবহার করে নৌবাহিনীকে অনুরোধও জানাতে হচ্ছে যেন কাছে না আসে।’ তবে জাহাজের নতুন করে অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি কবির গ্রুপের মুখপাত্র ও মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম। ‘তিনি বলেন, আমরা সমঝোতার মাধ্যমে জাহাজের সব নাবিককে সুস্থভাবে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।’ এর আগে, গত ১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ সোমালিয়ার গ্যারাকাদ উপকূল থেকে সাত নটিক্যাল মাইল দূরে নোঙর করে রেখেছিল। সেখান থেকে শুক্রবার ২৩ নাবিকসহ জাহাজটির অবস্থান পরিবর্তন করা হয়। এরপর সেখান থেকে আরেক দফা জাহাজটির অবস্থান পরিবর্তন করা হয়। এদিকে, গত শনিবার ভারতীয় নৌবাহিনী মাল্টার পতাকাবাহী জাহাজ এমভি রুয়েনকে জলদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করেছে। ডিসেম্বরে জাহাজটি দখল করেছিল জলদস্যুরা। অভিযানে জাহাজটির ১৭ ক্রুকে মুক্ত ও ৩৫ জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘এমভি আব্দুল্লাহ’কেও পাখির চোখ করেছে। ফলে এবার সমঝোতা প্রস্তাবে দস্যুরা দ্রুত সায় না দিলে তাদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত অভিযানে যেতে ভারতীয় পক্ষের আপত্তি নেই।

সমস্যা হচ্ছে, নানা চাপে আক্রান্ত সোমালিয়া সরকার নিজেদের স্থির রাখতে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা প্রায় নেয়ই না। এ কারণে দেশটির পুলিশ বাহিনী সহযোগিতা করতে চাইলেও কতটা পারবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত নয় আন্তর্জাতিক কোনো পক্ষ। তাই সমঝোতাকে সহজ পথ ভাবছে এমভি আবদুল্লাহর মালিক পক্ষ। উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে কবির গ্রুপের মালিকানাধীন এস আর শিপিংয়ের জাহাজটি জলদস্যুদের কবলে পড়ার খবর জানতে পারেন গ্রুপের কর্মকর্তারা। জাহাজটি আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার পথে সোমালিয়ার অফকোস্টে ৪৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে জলদস্যু দ্বারা আক্রান্ত হয়। জাহাজটিতে মোট ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিক আছেন।