আজ শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার Logo বাংলাদেশের পেস ইতিহাসে হাসানের হ্যাটট্রিক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শ্যামনগরে ধ্বংসের মুখে মৃৎশিল্প

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৯:১৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪
  • ৮৫১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নুরনগর ইউনিয়নের প্রবীন ব্যবসায়ী রাধা পাল,কানু পালসহ অনেকে বলেন, মাটির তৈরী বাসন কোসন এখন খুব একটা চলেনা। বংশ পরম্পরায় বাপ দাদার ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখাই দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা তো দূরের কথা দু বেলা নুন ভাত জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই বাপ দাদার ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। রোববার সকালে রাধা পালের কারখানায় উপস্থিত হলে জানা যায়, একসময় মাটির তৈরী কলস, হাড়ি, মালসা, ঢাকনা, নানদা ভালোই চলত। কিন্তু প¬াষ্টিক সামগ্রী ও মেলামাইন বাজারে আসায় এগুলোর কদর কমে গেছে। গৃহিনী মমতাজ বেগম বলেন প¬াষ্টিক ও ম্যালামাইন সামগ্রী বাজারে আসার পর মাটির বাসন পত্র এখন আর ব্যবহার করি না। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মাটির বাসন কোসন কেউ কেনে না। এ মৃৎশিল্প ব্যবসা এখন ধ্বংসের মুখে পরিনত হয়েছে। তারা আরো বলেন আগে বাসন কোসন তৈরীতে মাটি কেনার প্রয়োজন হত না। এখন এক ভ্যান মাটি ২/৩ শত টাকায় কিনতে হয়। মাটির তৈরী উৎপাদিত পন্য বিক্রি না হওয়ায় আস্তে আস্তে সবাই বিমুখ হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে শ্যামনগরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নুরনগরের মৃৎশিল্প। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহম্মেদ বলেন, সরকারের প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে গ্রাম বাংলার এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। ফলে এ অঞ্চলে মৃৎশিল্পের উপর নির্ভরশীল কয়েক শত পরিবারের উপরে নেমে আসবে অবর্ননীয় দুঃখ দুর্দশা। প্রভাব পড়বে গ্রামীণ অর্থনীতিতে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী

শ্যামনগরে ধ্বংসের মুখে মৃৎশিল্প

আপডেট সময়: ০৯:১৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নুরনগর ইউনিয়নের প্রবীন ব্যবসায়ী রাধা পাল,কানু পালসহ অনেকে বলেন, মাটির তৈরী বাসন কোসন এখন খুব একটা চলেনা। বংশ পরম্পরায় বাপ দাদার ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখাই দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা তো দূরের কথা দু বেলা নুন ভাত জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই বাপ দাদার ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। রোববার সকালে রাধা পালের কারখানায় উপস্থিত হলে জানা যায়, একসময় মাটির তৈরী কলস, হাড়ি, মালসা, ঢাকনা, নানদা ভালোই চলত। কিন্তু প¬াষ্টিক সামগ্রী ও মেলামাইন বাজারে আসায় এগুলোর কদর কমে গেছে। গৃহিনী মমতাজ বেগম বলেন প¬াষ্টিক ও ম্যালামাইন সামগ্রী বাজারে আসার পর মাটির বাসন পত্র এখন আর ব্যবহার করি না। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মাটির বাসন কোসন কেউ কেনে না। এ মৃৎশিল্প ব্যবসা এখন ধ্বংসের মুখে পরিনত হয়েছে। তারা আরো বলেন আগে বাসন কোসন তৈরীতে মাটি কেনার প্রয়োজন হত না। এখন এক ভ্যান মাটি ২/৩ শত টাকায় কিনতে হয়। মাটির তৈরী উৎপাদিত পন্য বিক্রি না হওয়ায় আস্তে আস্তে সবাই বিমুখ হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে শ্যামনগরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নুরনগরের মৃৎশিল্প। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহম্মেদ বলেন, সরকারের প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে গ্রাম বাংলার এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। ফলে এ অঞ্চলে মৃৎশিল্পের উপর নির্ভরশীল কয়েক শত পরিবারের উপরে নেমে আসবে অবর্ননীয় দুঃখ দুর্দশা। প্রভাব পড়বে গ্রামীণ অর্থনীতিতে।