আজ শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo তালায় শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত Logo সাতক্ষীরায় নলতা শতবর্ষী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৬-এর বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান Logo খুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অর্ধেকে, বাড়ছে লোডশেডিং Logo বন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে চলছে মাছ শিকার Logo দেবহাটার সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা Logo দেবহাটায় এমআর ক্যাম্পেইন উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি সভা Logo দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন: জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা নিয়ে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন Logo ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান Logo পুলিশে নিয়োগ হবে শতভাগ মেধায় : খুলনা ডিআইজি Logo সুন্দরবনে ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ ৯ মৌয়ালের মধ্যে ৭ জন উদ্ধার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শ্যামনগরে ধ্বংসের মুখে মৃৎশিল্প

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৯:১৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪
  • ৬৮১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নুরনগর ইউনিয়নের প্রবীন ব্যবসায়ী রাধা পাল,কানু পালসহ অনেকে বলেন, মাটির তৈরী বাসন কোসন এখন খুব একটা চলেনা। বংশ পরম্পরায় বাপ দাদার ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখাই দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা তো দূরের কথা দু বেলা নুন ভাত জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই বাপ দাদার ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। রোববার সকালে রাধা পালের কারখানায় উপস্থিত হলে জানা যায়, একসময় মাটির তৈরী কলস, হাড়ি, মালসা, ঢাকনা, নানদা ভালোই চলত। কিন্তু প¬াষ্টিক সামগ্রী ও মেলামাইন বাজারে আসায় এগুলোর কদর কমে গেছে। গৃহিনী মমতাজ বেগম বলেন প¬াষ্টিক ও ম্যালামাইন সামগ্রী বাজারে আসার পর মাটির বাসন পত্র এখন আর ব্যবহার করি না। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মাটির বাসন কোসন কেউ কেনে না। এ মৃৎশিল্প ব্যবসা এখন ধ্বংসের মুখে পরিনত হয়েছে। তারা আরো বলেন আগে বাসন কোসন তৈরীতে মাটি কেনার প্রয়োজন হত না। এখন এক ভ্যান মাটি ২/৩ শত টাকায় কিনতে হয়। মাটির তৈরী উৎপাদিত পন্য বিক্রি না হওয়ায় আস্তে আস্তে সবাই বিমুখ হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে শ্যামনগরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নুরনগরের মৃৎশিল্প। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহম্মেদ বলেন, সরকারের প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে গ্রাম বাংলার এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। ফলে এ অঞ্চলে মৃৎশিল্পের উপর নির্ভরশীল কয়েক শত পরিবারের উপরে নেমে আসবে অবর্ননীয় দুঃখ দুর্দশা। প্রভাব পড়বে গ্রামীণ অর্থনীতিতে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

তালায় শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

শ্যামনগরে ধ্বংসের মুখে মৃৎশিল্প

আপডেট সময়: ০৯:১৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নুরনগর ইউনিয়নের প্রবীন ব্যবসায়ী রাধা পাল,কানু পালসহ অনেকে বলেন, মাটির তৈরী বাসন কোসন এখন খুব একটা চলেনা। বংশ পরম্পরায় বাপ দাদার ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখাই দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা তো দূরের কথা দু বেলা নুন ভাত জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেকেই বাপ দাদার ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। রোববার সকালে রাধা পালের কারখানায় উপস্থিত হলে জানা যায়, একসময় মাটির তৈরী কলস, হাড়ি, মালসা, ঢাকনা, নানদা ভালোই চলত। কিন্তু প¬াষ্টিক সামগ্রী ও মেলামাইন বাজারে আসায় এগুলোর কদর কমে গেছে। গৃহিনী মমতাজ বেগম বলেন প¬াষ্টিক ও ম্যালামাইন সামগ্রী বাজারে আসার পর মাটির বাসন পত্র এখন আর ব্যবহার করি না। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মাটির বাসন কোসন কেউ কেনে না। এ মৃৎশিল্প ব্যবসা এখন ধ্বংসের মুখে পরিনত হয়েছে। তারা আরো বলেন আগে বাসন কোসন তৈরীতে মাটি কেনার প্রয়োজন হত না। এখন এক ভ্যান মাটি ২/৩ শত টাকায় কিনতে হয়। মাটির তৈরী উৎপাদিত পন্য বিক্রি না হওয়ায় আস্তে আস্তে সবাই বিমুখ হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে শ্যামনগরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নুরনগরের মৃৎশিল্প। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহম্মেদ বলেন, সরকারের প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে গ্রাম বাংলার এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। ফলে এ অঞ্চলে মৃৎশিল্পের উপর নির্ভরশীল কয়েক শত পরিবারের উপরে নেমে আসবে অবর্ননীয় দুঃখ দুর্দশা। প্রভাব পড়বে গ্রামীণ অর্থনীতিতে।