আজ রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরা থানায় হামলার চেষ্টা, পুলিশের লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি Logo যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে পিস্তলসহ যুবক আটক Logo মোটরসাইকেল নিয়ে দ্বন্দ্বে ঘরে ঢুকে যুবককে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ Logo সাতক্ষীরায় কোটা বিরোধীদের সাথে ছাত্রলীগের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া Logo কোটা বহালে হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল Logo সাতক্ষীরায় কোটা আন্দলনকারী ও ছাত্রলীগ মুখোমুখি অবস্থানে Logo বেনা‌পো‌লে ঘোষণা বহির্ভূত ১৫ হাজার ৭৫০ কেজি সালফিউরিক এসিড জব্দ Logo ‘বাবাকে হত্যা করেছি আমাকে গ্রেপ্তার করুন’ Logo সাতক্ষীরায় দুই রোহিঙ্গা নারীসহ মানব পাচারকারী আটক Logo প্রশ্নফাঁসে জড়িত কুমিল্লার সোহেলের বোন শিক্ষা অফিসার, ভাবি শিক্ষক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম -01711 211241

দুটি কিডনিই নষ্ট কলারোয়ার বাদশার, সহায়তা কামনা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৬:০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কলারোয়া সরকারি কলেজের এইচএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের প্রাক্তন মেধাবী ছাত্র আলমগীর কবির বাদশা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই মুহূর্তে জরুরী ভিত্তিতে তার কিডনি প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এর জন্য তিনি সকলের কাছে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আলমগীর কবির বাদশা বর্তমানে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। যতোটুকু বেতন-ভাতা পান তাতে সংসার চালানো তো দূরের কথা, তিনি নিজের চিকিৎসা করতেও পারছেন না। এরমধ্যে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য অনতিবিলম্বে তার প্রচুর টাকার প্রয়োজন।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এসএসসি ১৯৯৪ ব্যাচের ছাত্র, ১৯৯৬ সালে কলারোয়া সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন আলমগীর কবির বাদশা। ২০০০ সালে তৎকালীন পটুয়াখালী জেলার দুমকি কৃষি কলেজ হতে কৃষিতে অনার্স পাস করে পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক হিসেবে অদ্যবধি কর্মরত আছেন। তিনি চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।

অসহায় শিক্ষক আলমগীর কবির বাদশা ও তার বন্ধু সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার আক্তারুজ্জামান জানান, ‘বিগত প্রায় ২০ বছর যাবত আলমগীর কবির অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। সর্বশেষ গত এক বছর যাবত ক্রোনিক কিডনি ডিজিজে ভুগছেন এবং বর্তমানে তার দুইটা কিডনি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। যার ফলে অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা কিডনি ডায়ালাইসিস এর মাধ্যমে তার চিকিৎসা চলছে। এই মুহূর্তে জরুরী ভিত্তিতে তার কিডনি প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। দেশে কিডনি ডোনার না পাওয়ার ফলে কিডনি প্রতিস্থাপন করতে তাকে ভারতে পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে তার চিকিৎসা বাবদ প্রচুর খরচ হওয়ায় সে এখন নিঃস্ব ও অসহায়।’

তার ছোট দুইটি ছেলে বর্তমানে স্কুলে পড়ছে। তাদের ভবিষ্যৎ লেখাপড়াও প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। মানবিক কারণে চিকিৎসা খরচের সহায়তার জন্য সমাজের বিত্তবান ও পরিচিত-অপরিচিত সকলের কাছে আলমগীর কবির বাদশা বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাতক্ষীরা থানায় হামলার চেষ্টা, পুলিশের লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি

দুটি কিডনিই নষ্ট কলারোয়ার বাদশার, সহায়তা কামনা

আপডেট সময়: ০৬:০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কলারোয়া সরকারি কলেজের এইচএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের প্রাক্তন মেধাবী ছাত্র আলমগীর কবির বাদশা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই মুহূর্তে জরুরী ভিত্তিতে তার কিডনি প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এর জন্য তিনি সকলের কাছে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আলমগীর কবির বাদশা বর্তমানে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। যতোটুকু বেতন-ভাতা পান তাতে সংসার চালানো তো দূরের কথা, তিনি নিজের চিকিৎসা করতেও পারছেন না। এরমধ্যে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য অনতিবিলম্বে তার প্রচুর টাকার প্রয়োজন।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এসএসসি ১৯৯৪ ব্যাচের ছাত্র, ১৯৯৬ সালে কলারোয়া সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন আলমগীর কবির বাদশা। ২০০০ সালে তৎকালীন পটুয়াখালী জেলার দুমকি কৃষি কলেজ হতে কৃষিতে অনার্স পাস করে পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক হিসেবে অদ্যবধি কর্মরত আছেন। তিনি চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।

অসহায় শিক্ষক আলমগীর কবির বাদশা ও তার বন্ধু সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার আক্তারুজ্জামান জানান, ‘বিগত প্রায় ২০ বছর যাবত আলমগীর কবির অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। সর্বশেষ গত এক বছর যাবত ক্রোনিক কিডনি ডিজিজে ভুগছেন এবং বর্তমানে তার দুইটা কিডনি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। যার ফলে অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা কিডনি ডায়ালাইসিস এর মাধ্যমে তার চিকিৎসা চলছে। এই মুহূর্তে জরুরী ভিত্তিতে তার কিডনি প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। দেশে কিডনি ডোনার না পাওয়ার ফলে কিডনি প্রতিস্থাপন করতে তাকে ভারতে পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে তার চিকিৎসা বাবদ প্রচুর খরচ হওয়ায় সে এখন নিঃস্ব ও অসহায়।’

তার ছোট দুইটি ছেলে বর্তমানে স্কুলে পড়ছে। তাদের ভবিষ্যৎ লেখাপড়াও প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। মানবিক কারণে চিকিৎসা খরচের সহায়তার জন্য সমাজের বিত্তবান ও পরিচিত-অপরিচিত সকলের কাছে আলমগীর কবির বাদশা বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন।